Thursday, December 29, 2016

ভাইরাসের কারণ এবং ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করণ

ভাইরাসের কারণ এবং ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করণ


আমাদের যদি কোন পরিচিত লোক অসুস্থ হয়, আমরা তাকে বলি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে বা প্রাথমিক ভাবে কিছু ওষুধ খাওয়াতে। আর যদি তা আমাদের প্রিয় যন্ত্রটির সাথে হয় তবে তো কথাই নেই।

সাথে সাথে অ্যান্টিভাইরাস লাগাতে বলি।

হা! আমি কম্পিউটারের কথাই বলছি। এক্ষেত্রে আমরা যাকে প্রতিরোধক মনে করছি, তা আসলে প্রতিষেধক। ভাইরাস আক্রমণের আগে কম্পিউটারে অ্যান্টিভাইরাস থাকতে হবে, পরে নয়। কারণ, ভাইরাস আক্রমণের পরে অ্যান্টিভাইরাসের কিছু করার থাকে না। সে শুধু বসে মজা দেখে আর কি।

এ সময় আপনার ২টি উপায় আছে।

 

১. উইন্ডোজ ইন্সটল করা

২. ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করা।

আজকের লেখাটি মূলত ২য় উপায় সম্পর্কে।

ভাইরাসকে অনেক ভাবেই নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব। কিন্তু তার মধ্যে বিভিন্নতা আছে ভাইরাসের কার্যকারিতা অনুযায়ী। প্রবেশের পর ভাইরাস মূলত নিজেকে ২টি জায়গাতে স্থায়ী করে। একটি হল স্টার্টআপ এবং অন্যটি হল রেজিস্ট্রি। তারপর নিজের সম্রাজ্য বিস্তার শুরু করে। চাইলে সহজেই আমরা এই সাম্রাজ্যের মূলকে স্তব্ধ করে দিতে পারি।

এর জন্য লাগবে আমাদের সবার প্রিয় CCleaner সফটওয়্যার। এর একটি চমৎকার টুল আছে যার নাম startup।

anti virus


টুলটিতে গিয়ে আমাদের সবচেয়ে প্রথমে দেখতে হবে যে অজানা কোন কোম্পানির সফটওয়্যার কি আছে কি না। Adobe, Microsoft, Skype, ইত্যাদি হল পরিচিত পাবলিশার।

এরা ছাড়া বাকি যাদের ব্যাপারে যথেষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে না, তারাই হল প্রধান চরিত্র। এদের ক্ষেত্রে, প্রতিটি এন্ট্রি ডিজেবল বা প্রয়োজনে ডিলিট করে দিতে হবে। এই পদ্ধতিটি হয়েতো সব ভাইরাসের ক্ষেত্রে কাজ করবে না কিন্তু চেষ্টা করতে তো আর দোষের কিছু নেই।

আর কিছু না হোক, উইন্ডোজ রিইন্সটল করার ঝামেলা থেকে বাঁচার একটা সম্ভবনা তো থাকবে।

0 comments: