Thursday, December 29, 2016

আইওস এর শুরু থেকে বর্তমান

আইওস এর শুরু থেকে বর্তমান


আইওস ১.০
আইওস ১.০ বাজারে আসে ২৯ জুন, ২০০৭।সাপোর্টেড ডিভাইস হলো iPhone 2G।
বৈশিষ্ট্যসমুহঃ
১. কোর আইওস ইউ আই।
২. মাল্টিটাচ সুবিধা।
৩. মোবাইল সাফারী।
৪. আই-পড
৫. ভিজ্যুয়াল ভয়েচমেইল সুবিধা।
৬. বিশ্বের মানচিত্র
৭. আইওটিউন্স সিঙ্ক
৮. হিডেন ফাইল সিস্টেম
৯. স্পটলাইট
আইওস ২.০
আইওস ২.০ বাজারে আসে ১১ জুলাই, ২০০৮। সাপোর্টেড ডিভাইস হলো 2G, 3G, 1st gen iPod।
বৈশিষ্ট্যসমুহঃ
১। অ্যাপ স্টোর চালু
২। মোবাইল মি
৩। থার্ড পার্টি অ্যাপস সাপোর্ট
৪। মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ সাপোর্ট
৫। কন্টাক্ট সার্চ
আইওস ৩.০
আইওস ৩.০ বাজারে আসে ১৭ জুন, ২০০৯। সাপোর্টেড ডিভাইস হলো 2G, 3G, 3Gs 1st, 2nd gen iPod। ২ ফেব্রুয়ারী, ২০১০ বাজারে আসে আইওস ৩.১.৩ ।
বৈশিষ্ট্যসমুহঃ
১. স্পটলাইট সার্চ
২. নতুন এপিআই
৩. কাট, কপি, পেস্ট
৪. ভয়েস কন্ট্রোল
৫. এম এম এস
৬. পুশ নোটিফিকেশন
৭. ইউএসবি ও ব্লুটুথ
৮. ল্যান্ডস্কেপ কিবোর্ড
৯. ফাইন্ড মাই আইফোন সুবিধা
১০. ভিডিওচিত্র ধারন
১১. অটোফোকাস ক্যামেরা
১২. আইটিউন্সে কেনাকাটা
১৩. অ্যাপ স্টোর এর গ্রাহক
১৪. সাফারী তে এইচটিএমএল৫
আইওস ৪.০
আইওস ৪.০ বাজারে আসে ২১ জুন, ২০১০। সাপোর্টেড ডিভাইস হলো  3G, 3Gs,4, 2nd, 3rd, 4th iPod, 1st, 2nd iPad. ২২ নভেম্বর, ২০১০ এ আইওস এর ৪.২.১ বাজারে আসে।
বৈশিষ্ট্যসমুহঃ
১. ফেইসটাইম ভিডিও চ্যাট
২. মাল্টিটাস্কিং সুবিধা
৩. হোমস্ক্রিন ফোল্ডার
৪. ইউনিফাইড ই-মেইল বক্স
৫. রেটিনা ডিসপ্লে
৬. আইপ্যাড
৭. নোটিফিকেশন
আইওস ৫.০
আইওস ৫.০ প্রিভিউ এর জন্য বাজারে আসে ৬ জুন, ২০১১। কিন্তু অফিসিয়ালী রিলিজ হয় ১২ অক্টোবর, ২০১১। সাপোর্টেড ডিভাইস হলো  3G, 3Gs,4, 3rd, 4th iPod, 1st, 2nd iPad.
বৈশিষ্ট্যসমুহঃ
১. সিরি
২. নোটিফিকেশন সেন্টার
৩. পিসি-ফ্রি
৪. আইটিউন্স ওয়াইফাই সিঙ্ক
৫. আইমেসেজ
৬. আইক্লাউড
আইওস ৬.০
আইওস ৬.০ এর প্রিভিউ হয় ১১ জুন, ২০১২।  বাজারে আসে ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২। সাপোর্টেড ডিভাইস হলো  3G, 3Gs,4,4S, 5, 4th, 5th iPod, 2nd,3rd,4th, mini iPad.
বৈশিষ্ট্যসমুহঃ
১. ফেসবুক
২. অ্যাপল ম্যাপস
৩. পাসবুক
৪. আইক্লাউড ট্যাব
৫. ডু নট ডিস্টার্ব মূড
৬. ফেইসটাইম ওভার সেলুলার
৭. প্যানোরোমা ছবি তোলার সুবিধা
আইওস ৭.০
আইওস ৭.০ এর ঘোষনা আসে ১০ জুন, ২০১৩। সাপোর্টেড ডিভাইস হবে  3Gs,4,4S, 5, 5S, 4th, 5th iPod, 2nd,3rd,4th, mini iPad.
বৈশিষ্ট্যসমুহঃ
১. স্বয়ংক্রিয় অ্যাপস হালনাগাদ
২. উন্নত সাফারি
৩. ভয়েচ সার্চ এর উন্নত সংস্করণ
৪. প্রক্সিমিটি নোটিফিকেশন
৫. বহু ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট
উইন্ডোস পিসিকে রূপান্তর করুন ম্যাকে
প্রথমে সবাইকে আমার সালাম এবং আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের টিউন। আশা করছি আপনারা সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। এ পর্যন্ত ইন্টারনেট জগতে যা কিছুই শিখেছি বেশির ভাগই টেকটিউনস থেকে। তাই এবার টেকটিউনসকে কিছু দেওয়ার পালা। শেখার কোন শেষ নেই। তবুও আমার এই ছোট্ট জ্ঞানকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চাই।
শিরোনাম দেখেই হয়তো বুঝে গেছেন আমার আজকের টিউন সম্পর্কে। ম্যাকবুক, আইফোন কেনার স্বপ্ন কারই বা না আছে। কিন্তু আমাদের নেই সামর্থ্য। তবুও দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর চেষ্ঠা। ম্যাকবুক এর নানা রকম স্লাইড, লগ স্কিন, স্টাট মেনু সহ নানা রকম ফাংশন এর কারণে অনেক ডেভেলপারই নানা রকম সফটওয়্যারের মাধ্যমে আমাদের উইন্ডোস পিসিতেই ম্যাকের পুরো ইন্টারফেস দেওয়ার চেষ্ঠা করে যাচ্ছেন। আমাদের ম্যাকবুক কেনার সামর্থ্য নেই, কিন্তু আমাদের তো এর থিম ডাউনলোড করে ব্যবহার করার সামর্থ্য তো আছে। এবার আসল কাজে আসি।
আপনাদের মাঝে আজকে যে স্কিন প্যাক সফটওয়্যারটি শেয়ার করবো এর নাম ios8 Skin Pack এর ভার্সন 2.0। এটি উইন্ডোস ৭, ৮, ৮.১ এর ৬৪ বিট ও ৮৬ বিট সমর্থন করে। হয়তো উইন্ডোস ১০ এ চলতে পারে। আমি উইন্ডোস ১০ এ ব্যবহার করে দেখিনি।

কয়েকটি স্কিনশন দেখে নিন :

ডাউনলোড :

এবার ডাউনলোড করে নিন ios8 skin Pack টি। সাইজ মাত্র 40 মেগাবাইট।

Download Now [4 shared ]

Download Now [ Mediafire ]

আপনাদের সুবিধার জন্য সরাসরি লিংকও দেওয়া হলো :

পিসিতে কনফিগারেশন :

আপনি শুধু আপনার পিসিতে নরমালি ব্যবহার করলে ম্যাকের পুরো ইন্টারফেসটি পাবেন না। প্রথমেই স্কিন প্যাকটি ডাউনলোড করে নিন । এবার আপনার পিসিতে এটি Extract করে নিন। এর ভেতরে ২ টি ফাইল পাবেন। Setup.cmd ওপেন করে সরাসরি ইন্সটল করতে পারবেন। অন্যভাবে Setup.ex_ ফাইলটি Setup.exe তে রিনেম করে রান করাতে পারবেন। এবার স্বাভাবিক নিয়মেই ইন্সটল করে নিন স্কিন প্যাকটি। ইন্সটল করা শেষ হয়ে গেলে আপনার পিসির থিমটি অটোমেটিক পরিবর্তন হয়ে যাবে। সয়ংক্রিয় ভাবে ios8 থিমটি Default থিম হিসেবে সেট হয়ে যাবে।

যে পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করবেন :

  1. আপনার পিসির স্টাট মেনু নিচ থেকে উপরে চলে আসবে।
  2. স্টাট মেনুর জায়গায় Rocket Dock আসবে। এটিই ম্যাকবুকের আসল মজা।
  3. ফোল্ডার আইকন সহ সকল আইকন ম্যাক বুকের আইকনে পরিবর্তন হয়ে যাবে।
  4. Pink কালারের থিম আসবে। (আমি রং এর নাম বলতে পারি না।)
  5. পিসির ইউজার লগিন পরিবর্তন হবে।
  6. ওয়েলকাম স্কিন পরিবর্তন হবে।
  7. পিসির সকল বাটন সহ, আপনার ওয়েব ব্রাউজারের সকল পেইজের বাটনেই পরিবর্তন আসবে। ক্লাসিক বাটন থেকে ম্যাকের বাটনে আসবে।

এবার আসি আমাদের সেটিংস পরিবর্তন করে যে ইন্টারফেসটি ফিরিয়ে আনতে হবে :
  1. ডেস্কটপ পিরিবর্তন।
  2. সাটডাউন স্কিন পরিবর্তন।
  3. লক স্কিন পরিবর্তন।
  4. Ios8 স্কিন সেভার।
  5. Rocket Dock সাজানো।
  6. XLaunch Pad সাজানো।
১। ডেস্কটপ : ম্যাকের ডেস্কটপে মূলত কোন আইকন রাখা হয় না, যদিও রাখা হয় এর পরিমাণ কম। এ জন্য আমাদের পিসির ডেস্কটপের সকল সফটওয়্যার আইকন ডেস্কটপে একটি ফোল্ডারে নিতে হবে। ধরি আইকনগুলো Apps ফোল্ডারে রাখলাম। এবার ডেস্কটপের বাকী ডাটাগুলো আরেকটি ফোল্ডারে রাখি। আমি Files নামক ফোল্ডারে আমার ডাটাগুলো রাখলাম। এবার ডেস্কটপে রাইট বাটন চেপে View থেকে Show Desktop Icons এ ক্লিক করুন। ডেস্কটপ একবারে খালি। এবার নিচের Rocket Dock এ রাইট বাটনে ক্লিক করুন। Add Item থেকে Stack Docklet এ ক্লিক করুন। এবার একটি খালি ডকলেট হবে। এটিতে ক্লিক করে আপনার ডেস্কটপে রাখা Apps ফোল্ডারটি ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন। এবার পছন্দমতো আইকন দিয়ে সেভ করুন। অনূরূপভাবে Files ফোল্টারটিও যোগ করুন ডকলেটে।
২। সাটডাউন স্কিন: ডকলেটের শেষের দিকে লাল শাটডাউন বাটন দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করলে এক্সপি স্টাইলে শাট ডাউন স্কিন আসবে। এবার রাইট বাটনে ক্লিক করে Skins থেকে Default সিলেক্ট করুন। এই স্কিনটি ম্যাকের মতো। এখানের ১ম বাটনটি লগ অফের, ২য় টি রিস্টার্ট, ৩য় টি শাট ডাউন।
৩। লক স্কিন: রকেট ডকের শেষের দিকে iPhoneLS আইকনে ক্লিক করলে আপনার পিসি আইফোন স্টাইলে লক হবে। আপনি চাইলে এখানে ৪ ডিজিটের পিন কোডও দিতে পারবেন। এজন্য নিচের ৪ নং ফলো করুন।
৪। ios স্কিন সেভার : ডেস্কটপে রাইট বাটনে ক্লিক করে Personalize এ ক্লিক করুন। এখান থেকে স্কিন সেভারে ক্লিক করুন। স্কিন সেভার থেকে iPhoneLS সিলেক্ট করুন। Settings থেকে সেটিংস পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। লক বাটনে ক্লিক করে ৪ ডিজিটের পিন কোড দিতে পারবেন। এটি লক খোলার সময় চাইবে।
৫। Rocket Dock সাজানো : ম্যাকের এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রথমেই এখান থেকে অদরকারী সকল আইকন ডিলেট করে দিন। এবার আপনার ডেস্কটপে রাখা Apps ফোল্ডারের দরকারী সফটওয়্যারগুলো এখানে ড্যাগ করে যোগ করে নিন। কোন সফটওয়্যার মিনিমাইজ করলে এখানের রকেট ডকের শেষে মিনিমাইজ হয় থাকবে। এটি আপনার মন মতো করে সাজিয়ে নিন।
৬। XLaunch Pad সাজানো : এটি আরেকটি মজার ইন্টারফেস। আপনার মাউসের মাঝখানের স্ক্রলিং বাটনে একটি ক্লিক করুন। একটি ডেস্কটপের মতো মেনু আসবে। ডেস্কটপের বামে নিচে মাউস নিয়ে গেলেও এটি ওপেন হবে। এবার এখানের রাইট বাটনে ক্লিক করে Add  থেকে আপনার দরকারী সকল কিছুই রেখে দিতে পারেন। এটি আপনি ডেস্কটপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার মন মতো করে সাজিয়ে  তুলুন আপনার XLaunch Pad।
আপনি যদি কম্পিউটিংয়ে দক্ষ হোন, তবে আরোও অনেক কিছুই পরিবর্তন করে নিতে পারেন। .dll এডিটর থাকলে আপনি পুরো থিমটিই এডিট করে মডিফাই করে নিতে পারবেন।
হয়ে গেলো আপনার পিসি ম্যাকে রূপান্তর। এবার উপভোগ করুন আপনার পিসিতে ম্যাকের ইন্টাফেস।

শেষ কথা

লেখায় কোন প্রকার ভূল ত্রুটি থাকলে ক্ষমা সুন্দর দুষ্টিতে দেখবেন। আর টিউন সম্পর্কে যদি আপনাদের কিছু বুঝতে কোন অসুবিধা হয় তবে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের একটি মতামত আমাকে সামনে আরও সুন্দর টিউন উপহার দিতে উৎসাহ প্রদান করবে। আর যে কথা না বললেই নয়, তা হলো লেখা কপি পেস্ট বর্জন করা। ৩-৪ ঘন্টা একটানা লিখার পর কপি পেস্ট করলে যে কোন লেখকের পুরো পরিশ্রম এর কোন মূল্যই থাকে না। সবাই ভালো থাকবেন। সকলের শুভ কামনা করে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।
 iPhone বা iPad এর হোম স্ক্রিন রিসেট করবেন যে ভাবে

 iPhone বা iPad এর হোম স্ক্রিন রিসেট করবেন যে ভাবে

 iPhone বা iPad এর হোম স্ক্রিন রিসেট করা যায় কিভাবে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
আপনারা জারা iPhone কিংবা iPad ব্যবহার করে থাকেন তাহলে তাদের উপকারে আসতে আমার এই ব্লগ টিউনটি।
আমরা জারা স্মার্ট ফোন বা ট্যাব যে যেটাই ব্যবহার করিনা কেন, সবাই কিন্তু অনেক এপ্লিকেশন, সর্টকাট কোন কিছু উইজেট আমাদের ফোনের হোম স্ক্রিনে নিয়ে আসি। হয়ত দেখা যাচ্ছে কিছু দিন রাখার পর আর ভালো লাগছেনা চেন্জ করার প্রয়োজ হতে পারে।
কোন কিছু ঝামেলা না করে সহজ পদ্ধতিতে কাজ করুন। নিচে ছবি সহ সুন্দর ভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো কি ভাবে আপনার iPhone বা iPad এর হোম স্ক্রিন রিসেট করবেন।

যে ভাবে রিসেট করবেন

ওপেন Settings প্যানেল এবং সেখানে থেকে General ক্লিক করুন। এখন একটি উইনডো আসবে সেখান থেকে Reset এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রে র মত একটি উইনডো দেখতে পাবেন।
এখানে একটু সেনসেটিভ এখানে অন্য কোন অপশনে ক্লিক করবেন না। না জানা সত্যে ক্লিক করলেও আপনার ডিভাইসটি হার্ড রিসেট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। দেখে বুঝে ক্লিক করবেন।
রিসেটে ক্লিক করলে নিচের মত একটি উইনডো আসবে সেখান থেকে Reset Home Screen Layout এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রের মত করে।
ওই খানে ক্লিক করলে আপনার ডিভাইসের হোম স্ক্রিন রিসেট হয়ে ডিফাউল্ড হোম স্ক্রিন হয়ে যাবে। এখন সব ক্লোস করে দেখুন আপনার হোম স্ক্রিনটি রিসেট হয়ে গেছে।
 (আইফোন + আইপড + আইপ্যাড) শর্টকোড, ট্রিক্স ও টিপস
apple

আইফোন + আইপড + আইপ্যাড এর জন্য কিছু শর্টকোড, ট্রিক্স  ও টিপস -

IMEI Number | Code: *#06#

Field Test | Code: *3001#12345#* + ‘Call’

Call Barring | Status: *#33# | Turn ON: *33*pin# | Turn OFF: #33*pin#

Call Waiting | Status: *#43# | Enable: *43# | Disable: #43#

Call Forwarding | Status – All: *#21# – Unreachable: *#62# – When Busy: *#67# | Disable All Forwarding: ##002# + ‘Call’

Outgoing Call Anonymity | Status: *#31# + | Current Call: #31#phone-number + ‘Call’

Incoming Call Presentation | Status: *#30# + ‘Call

SMS Message Center Number | Check: *#5005*7672#

EFR Mode | Code: *3370# + ‘Call

*3001#12345#* and tap Call. Enter Field Mode

Codes     Functioning
*#06#

It will displays your iPhone IMEI. It is a identifier for your mobile phone hardware.

*3001#12345#*

This code opens you field mode which contains all of iPhone inner settings, cell information and newest network.

*#67#

You can check the number in order to call forwarding when the iPhone is busy. And again, but for when the iPhone is busy.

*646# (Postpaid only)

It will display you available minutes.

*225# (Postpaid only)

To check the Bill Balance

*777#

To check the Account balance use this code for prepaid iPhone only.

*#33#

You can check call control bars by using this code. Also for see whether barring is enabled or disabled for outgoing you can check all the usual suspects like  fax, SMS, voice, information, etc.

*#76#

For checking connected line presentation is enabled or not you can use this code. like to the calling line presentation you can also check whether the connected line presentation is enabled or disabled.

*#21#

You can set inquiry for call forwards. Find the settings for your call forwarding. You will see whether you have fax, SMS, voice, knowledge, sync, async,  paid access &   packet access  call forwarding enabled or disabled.

*3282#

It will let you know about the use of information info.

*#61#

To check number of missed calls.

*#62#

You can verifies the number for forwarding calls If there is no service is available. .

*3370#

EFR mode Enhanced Full Rate improves your iPhone voice quality, but it will slightly reduced battery life.

*#5005*7672#

To check  SMS center.

*331*

Barring code # Outgoing calls abroad to block the lock code to inquire about her please contact your network operator.

*#43#

Call Waiting Status.

*43#

Activate a waiting.

#43#

Deactivate waiting.

*#31#

It allow you hide your number

Here are some codes you can dial into the phone app that will access hidden information and menus in the iPhone:

*#06# – Displays IMEI
*3001#12345#* + “Call” – Accesses a hidden Field Test menu
*#43# + “Call” – Displays call waiting status
*43# + “Call” – Enables call waiting
#43# + “Call” – Disables call waiting
*#21# – Displays call forwarding status
##002# + “Call” – Disables all call forwarding
*33*pin# – Enables call barring
#33*pin# – Disables call barring
#31#phone-number + “Call” – Blocks caller ID for the current phone call
*3370# + “Call” – Enables “Enhanced Full Rate” and improves voice quality on GSM networks (may impact battery life)
*#5005*7672# + “Call” – Displays your carrier’s message center phone number

To check whether your phone is eligible for firmware upgrade: *936
স্মার্টফোনে অ্যান্টিভাইরাস সত্যিই কি প্রয়োজনীয়? sea more

স্মার্টফোনে অ্যান্টিভাইরাস সত্যিই কি প্রয়োজনীয়? আপনি যে ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করছেন, তা নিজেই কোন ভাইরাস নয় তো?






আজকের দিনে কম্পিউটারের জন্য অ্যান্টিভাইরাস সত্যিই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, বলতে পারেন যে অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু স্মার্টফোনে অ্যান্টিভাইরাস এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু? এই প্রশ্নের রহস্য ভেদ করতেই আজ আমার এই টিউন লেখা। আমরা বিষয়টি নিয়ে তো বিস্তারিত আলোচনা করবোই এবং পাশাপাশি জেনে নেব কীভাবে আপনার স্মার্টফোনকে সকল অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় হতে অধিক সুরক্ষা প্রদান করা যায়। তো চলুন সকল সমস্যা গুলো ঠিক করে নেওয়া যাক


স্মার্টফোনে অ্যান্টিভাইরাস

ভাইরাস নির্মাতাদের একটি কমন ফ্যাক্টর হলো এরা সবসময় এমন অপারেটিং সিস্টেমকে লখ্য করে ভাইরাস তৈরি করে যা বহুল প্রচলিত। কারন এতে ভাইরাস নির্মাতাদের ইনভেস্টমেন্ট ফেরত আসতে সহজ হয়, এবং একসাথে অনেক মুনাফা কামাতে সক্ষম হয়। আর এই কারনেই ম্যাকে অনেক কম ভাইরাস হয়, কেনোনা কেবল কতিপয় মানুষ ম্যাক ব্যবহার করে। তাই ভাইরাস নির্মাতাগন বেশির ভাগ সময় উইন্ডোজ কম্পিউটারকে লখ্য করে ভাইরাস তৈরি করে। কারন এতে এদের সময় এবং ইনভেস্টমেন্ট এর সঠিক কদর পায়। আর এই কারনেই উইন্ডোজ পিসিতে আপনারা সবচেয়ে বেশি ভাইরাস দেখতে পান। যদিও ম্যাকেও ভাইরাস থাকে কিন্তু তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। আর খুব বেশি হলে ০.৫% মানুষ লিনাক্স ব্যবহার করে তাই এই অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ভাইরাস বানিয়ে অবশ্যই তারা সময় নষ্ট করতে চাইবে না।

কিন্তু এই বিষয়টি যখন স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে আসে, তখন বিষয়টা সামান্য একটু আলাদা হয়ে দাঁড়ায়। কারন আজকের দিনে প্রায় প্রত্যেকের কাছে একটি করে স্মার্টফোন আছে। কিন্তু একটি কম্পিউটার যেভাবে ভাইরাস দ্বারা করা হয় সেভাবে মোবাইলকে আক্রান্ত করা যায় না। দেখুন যদি কম্পিউটারের কথা বলা হয় তবে কম্পিউটার সফটওয়্যার ডাউনলোড করার জন্য কোন নির্দিষ্ট সোর্স নেই। আমরা শুধু মাত্র কোন সফটওয়্যার খুঁজতে গুগল করি আর গুগল আমাদের যে সাইটে নিয়ে যায় সেখান থেকেই সফটওয়্যার ডাউনলোড করি। আমরা বেশির ভাগ সময় পিসির জন্য পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। তো এমন অবস্থায় ভাইরাস মেকাররা অতি সহজেই এই সকল সফটওয়্যারের সাথে ভাইরাস যুক্ত করে দিতে পারে। এবং আপনি হয়তো বুঝতেই পারেন না যে কীভাবে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করলো। কিন্তু স্মার্টফোনে অ্যাপস ডাউনলোড করা হয় নির্দিষ্ট কোন অ্যাপ স্টোর থেকে। যদি সবচাইতে বড় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড এর কথা বলি তো শুধু এখানেই অ্যাপ ডাউনলোড করার জন্য অলটারনেটিভ পদ্ধতি থাকে। কিন্তু আইওএস অথবা উইন্ডোজ ফোনে এদের নিজস্ব স্টোর ব্যবহার করা ছাড়া কোন অপশন থাকে না। অ্যান্ড্রয়েড এর সবচাইতে বড় মার্কেটপ্লেস হলো গুগল প্লে এবং আরেকটি অ্যামাজন অ্যাপ স্টোর।

কখনো যদি কোন কারণে এই সকল মার্কেটপ্লেসে ভাইরাস আক্রান্ত কোন অ্যাপস পাওয়া যায় তবে সাথে সাথে তা অ্যাপ স্টোর থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। যাতে কেউ তা ডাউনলোড করতে না পারে। হয়তো কেউ চালাকি করে ইমেইল এর মাধ্যমে আপনার অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস কে আকান্ত করাবার চেষ্টা করতে পারে। অনেক সময় খারাপ ব্যক্তিরা কোন সুনামধন্য পেইড অ্যাপ এর ইমেইল স্পুফ করে আপনার কাছে মেইল পাঠাতে পারে যে, “অমুক অ্যাপ আপনার জন্য ফ্রি, এক্ষুনি ডাউনলোড করতে এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন” ইত্যাদি। কিন্তু আপনি যদি এই ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকতে পারেন, যেমন ধরুন তৃতীয়পক্ষ কোন লিঙ্ক বা সাইট থেকে যদি কোন অ্যাপ ইন্সটল না করেন তবে আপনাকে ভাইরাস আক্রান্ত করানো এতটাও সহজ হবে না।

সুতরাং মোবাইলে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সত্যিই অনেক নিম্ন। কিন্তু তারপরেও আক্রান্ত হতে পারে। তাহলে কি এখনো স্মার্টফোনে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করার মূল্য রাখে? এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর পাবার আগে চলুন আরো কিছু বিষয় জেনে নেওয়া যাক। অ্যামেরিকাতে করা একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে যে, মাত্র ১% অ্যামেরিকান স্মার্টফোন গুলো ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত। কিন্তু পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার পরিসংখ্যানটি বিভিন্ন। যেমন পূর্ব ইউরোপ এবং এশিয়ার দেশ গুলোতে ভাইরাস আক্রান্ত স্মার্টফোনের সংখ্যা বেশি। আমি সত্যিই জানিনা যে আমাদের মহাদেশে মোবাইল ভাইরাস এর প্রকোপ কেন এতো বেশি।

তাছাড়া আপনারা হয়তো লখ্য করে থাকবেন যে বেশি ভাগ মোবাইল অ্যান্টিভাইরাস গুলোতে এক্সট্রা ফিচার দেওয়া থাকে। কারন অ্যান্টিভাইরাস নির্মাণকারিরা এই বিষয়টি ভালো করে জানেন যে শুধু অ্যান্টিভাইরাস ফিচারটি টাকা দিয়ে কেনার তেমন বিশেষ মূল্য রাখে না। কেনোনা আমি আগেই বলেছি আপনি যদি সামান্য একটু বিষয়ের উপর লখ্য রাখেন তবে আপনার স্মার্টফোন ভাইরাস আক্রান্ত করানো অনেক মুশকিল হবে। তাই তারা এর ভেতর পাসওয়ার্ড ব্যাকআপ, ফোন থেফট প্রিভেনশন, কল ব্লকিং ইত্যাদির মতো কিছু এক্সট্রা ফিচার ঢুকিয়ে একে টাকা দিয়ে কেনার উপযোগী করে তোলে। কেনোনা আমার মতে স্মার্টফোনে অ্যান্টিভাইরাস এতটাও গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা গুরুত্ব রাখে পিসি বা ম্যাক এর ক্ষেত্রে।

কিন্তু ২০১৩ সালের একটি রিপোর্টে জানা গেছে যে, সকল মোবাইল ওএস এর মধ্যে প্রায় ৯৭% ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আক্রান্ত করে। তাই আপনি যদি আইওএস বা উইন্ডোজ মোবাইল ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে আপনার জন্য চিন্তার কোন কারন নেই। এবং আপনাকে অবশ্যই কোন এন্টিভাইরাস ডাউনলোড বা কেনার কোন প্রয়োজন নেই। আমার মতে আইটিউনস মার্কেটপ্লেসটি এই ব্যাপারে অনেক সজাগ যে, তারা কোন অ্যাপকে তাদের মার্কেটপ্লেসে প্রবেশ অধিকার দিচ্ছে। কিন্তু গুগল প্লে স্টোর অনেক সময় অনেক সদয়ের মতো আচরন করে, ফলে অনেক সময় ভাইরাস আক্রান্ত অ্যাপ গুলোকে সনাক্ত করতে পারে না। পরে সেগুলোকে সনাক্ত করে স্টোর থেকে মুছে ফেলে হয়তো কিন্তু সে অ্যাপ গুলো আগেই অনেক ক্ষতি সাধন করে ফেলে। আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই খেয়াল করেছেন যে প্লে স্টোরে কাজের চাইতে অকাজের অ্যাপসই বেশি দেখতে পাওয়া যায়। যেখানে অ্যাপেল তাদের অ্যাপ স্টোর থেকে অনেক অ্যাপ শুধু এই কারণে রিজেক্ট করে থাকে কারন সেগুলো তেমন কাজের না।

আমি গুগল প্লে স্টোরের নিন্দা করছি না অবশ্যই। তারা অবশ্যই তাদের প্রত্যেকটি অ্যাপকে স্ক্যান করে নিশ্চিত করে যে সেগুলো কোন পরিচিত ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত নয়। তাই টেকনিকালি প্লে স্টোর ব্যবহার করলে আপনি অবশ্যই নিরাপদ থাকবেন। কেনোনা গুগল তাদের সিস্টেমকে প্রতিনিয়ত আপডেট করার মাধ্যমে আরো নিরাপদ করার চেষ্টা করেই চলেছে। আবার যদি আপনি অ্যামাজন স্টোর ব্যবহার করে থাকেন তবেও আপনি নিরাপদ। কেনোনা তারাও একই ভাবে প্রত্যেকটি অ্যাপ এর সুরক্ষা চেক করে এবং মার্কেটপ্লেসে সুরক্ষা প্রদান করার জন্য তাদের বিস্তর আকারের সুরক্ষা বাবস্থা আছে।

তবে নন গুগল প্লে স্টোর বা নন অ্যামাজন অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করা অ্যাপ বা যেকোনো তৃতীয়পক্ষ অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করা অ্যাপ আপনাকে সুরক্ষা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই শুধু মাত্র গুগল প্লে স্টোর, অ্যামাজন স্টোর এর মতো বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস থেকে অ্যাপ ইন্সটল করা প্রয়োজন। তৃতীয়পক্ষ অ্যাপ স্টোর থেকে বা কারো কাছ থেকে কপি করে কোন অ্যাপ ব্যবহার করা একদমই উচিৎ নয়। হতে পারে সেগুলো ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত। আর যারা আইওএস ব্যবহার করেন তাদের তো কোন চয়েজ থাকেনা। তাদের অবশ্যই আইটিউন্স থেকে অ্যাপ ইন্সটল করতে হয়। ফলে আইফোন ব্যবহারকারীগন সত্যিই অনেক কম ঝুঁকির সম্মুখীন হন।

এখন আসা যাক, আজকের মূল আলোচ্য বিষয়ের উপরে। সত্যি কি আপনার ফোনে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারের প্রয়োজন আছে? আমার মতে উত্তরতি হচ্ছে, না! আপনার ফোনে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা নেই। শুধু মাত্র একটি সংকল্প করুন যে, নন গুগল প্লে বা নন অ্যামাজন স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না। কোন তৃতীয়পক্ষ সোর্স থেকে বা পেইড অ্যাপ ফ্রিতে ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন। তবে আপনার স্মার্টফোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবার সুযোগ অবিশ্বাস্য ভাবে কমে যাবে।

শুধু যে ভাইরাস আপনার স্মার্টফোনের সুরক্ষা নষ্ট করতে পারে তা কিন্তু নয়। আপনার চারপাশের লোকজন এবং বিভিন্ন খারাপ ব্যক্তির জন্যও আপনার ফোনের সুরক্ষা ভঙ্গ হতে পারে। এবং এতে আপনার স্মার্টফোনটির খারাপ হওয়ার ঝুঁকির পাশাপাশি আপনার ব্যক্তিগত জীবনেরও সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই স্মার্টফোনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য কিছু ব্যাপার লখ্য রাখা উচিৎ। তো চলুন সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

ভাইরাস থেকে বাঁচতে অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া নিজের কিছু সতর্ক থাকার টিপস


আমি আগেই বলেছি নন প্লে স্টোর বা অ্যামাজন স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তাছাড়া ফেক মেইল থেকেও সাবধান থাকা উচিৎ। মেইলে যদি তারা প্লে স্টোর লিঙ্ক সরবরাহ করে তবেই সেখানে ক্লিক করে সেই অ্যাপটি ইন্সটল করবেন। আর যদি কোন তৃতীয়পক্ষ মিরর লিঙ্ক দেওয়া হয় তবে সেখান থেকে বিরত থাকাই হবে বুদ্ধিমানের পরিচয়। তাছাড়া কপি করে অ্যাপ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

অনেক ভাইরাস আছে যারা শুধু মাত্র রুট করা ফোনে তাদের ধ্বংসলীলা চালাতে পারে। তাই নিরাপত্তার খাতিরে আপনার ফোনকে রুট করার আগে ভেবে শুনে তারপর রুট করুন। তাছাড়া রুট করার সুবিধা এবং অসুবিধা গুলো ভালো করে জানার জন্য আমার এই টিউনটি পড়ার বিশেষ অনুরোধ রইল।

ব্যাস এই বিষয় গুলোর উপরে একটু লখ্য রাখার মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনকে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়া থেকে বিরত রাখতে পারেন। এবং আপনার অবশ্যই কোন অ্যান্টিভাইরাস এর প্রয়োজন পড়বে না। তবে আপনি যদি অধিক সুরক্ষা সচেতনকারী এবং নিরাপত্তা বিষয়ে অনেক চিন্তনকারী হয়ে থাকেন তবে আপনি অ্যান্টিভাইরাস ডাউনলোড এবং কেনার মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারেন। এবং আপনার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারে অবশ্যই মূল্য রাখে। তবে আমার মতামত অনুসারে অবশ্যই একটি পেইড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। আমাকে বিশ্বাস করুন ফ্রী অ্যান্টিভাইরাসে আপনি বিন্দু মাত্র উপকৃত হতে পারবেন না। আবার অনেকে অনেক তৃতীয় পক্ষ সোর্স থেকে পেইড প্রোডাক্ট ফ্রীতে ডাউনলোড করে থাকে। আমার কথা শুনুন, এরকম টা কখনোয় করা উচিৎ নয়। কেনোনা অনেক সময় এই সকল অ্যান্টিভাইরাস নিজেই একপ্রকারের ট্রোজান ভাইরাস হতে পারে। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস, ম্যালওয়্যার সম্পর্কে জানতে আমার এই টিউনটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল।

নিরাপত্তার খাতিরে অবশ্যই ইনক্রিপশন ব্যবহার করুন



ইনক্রিপশন এখনকার দিনে সবচাইতে জনপ্রিয় একটি নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা। আমার মতে এটি অপশনাল কোন বিষয় নয় আপনার ফোনকে অবশ্যই ইনক্রিপশন করানো উচিৎ। কেনোনা আজকাল কার প্রায় সকল ফোনে এই অপশনটি থাকে। আইফোনে পিন লাগানোর পরে ডিফল্ট ভাবে সব কিছু ইনক্রিপটেড হয়ে যায়। এবং আমার জানা মতে অ্যান্ড্রয়েড এ মেনুয়ালি ইনক্রিপশন করাতে হয়। এবং প্রত্যেকটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ইনক্রিপশন সমর্থন করে। আবার অনেক মানুষ হয়তো এটা চিন্তা করে যে, “আমার ফোনে তো আমি তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু থাকেই না, তবে আমি কেন আমার ফোনকে ইনক্রিপশন করাবো”? আমি আপনাকে কারন গুলো বিস্তারিত বলে দেবো, যে কেন আপনার নিরাপত্তার খাতিরে আপনার ফোনটিকে ইনক্রিপশন করানো প্রয়োজনীয়।

দেখুন আপনার ফোন থেকে দুই ভাবে তথ্য চুরি করা সম্ভব। একটি হলো আপনার ফোনে ভাইরাস আক্রান্ত করিয়ে সকল ডাটা হাতিয়ে নেওয়া, এবং আপনার ফোনটি চুরি করে সেখান থেকে সকল ডাটা বের করে নেওয়া। ফোনটি যাতে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কেও না করাতে পারে তার সম্পর্কে এতক্ষণ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু আপনার ফোনটি যদি কেও চুরি করে করে নিয়ে যায় তবে সে অনেক সহজেই আপনার ফোন থেকে আপনার ম্যাসেজ, ফটোস, ইমেইলস, গুরুত্বপূর্ণ ফাইলস ইত্যাদি চুরি করতে পারবে। আপনি যদি পিন বা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেও থাকেন তবে সেটিও তেমন নিরাপদ বাবস্থা নয়। কেনোনা আপনারা জানেন যে খারাপ ব্যক্তিরা কোন না কোন উপায়ে পিন বা পাসওয়ার্ড সর্বদা বাইপাস করে ফেলতে পারে। তারা হয়তো আলাদা কোন বুটলোডার ইন্সটল করে সকল ডাটা হাতিয়ে নিতে পারে। তারপর আপনার সকল ডাটার সাথে কি কি হতে পারে তা আপনি হয়তো ভালো করেই জানেন। তারা আপনার সকল অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড চুরি করে নেবে যেখানে আপনি আগে থেকেই লগইন করে ছিলেন। আপনার ব্যক্তিগত ফাইলস বা ডাটার সাথে অপব্যবহার করা হতে পারে। আর যদি আপনার ফোনকে ইনক্রিপশন করা থাকে তবে তারা ডাটা গুলো চুরি করলেও সেগুলো পড়তে পারবে না। এবং এক প্রকার ভাবে আপনার সকল ডাটা গুলো নিরাপদ থাকবে।

পিন বা পাসওয়ার্ড কখনোয় সুরক্ষিত নয়। বিশেষ করে ৪ অক্ষরের পিন। যেটাতে কেবল মাত্র ১০,০০০ পসিবল কম্বিনেশন থাকে। একটি সাধারন কম্পিউটার ব্যবহার করে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পিন বাইপাস করা সম্ভব। তাছাড়া শুধু ফোন ইনক্রিপশন করালেই চলবে না। তার পাশাপাশি এসডি কার্ডও ইনক্রিপশন করানো প্রয়োজনীয়। তা না হলে আপনার আপনার ফোনকে কেও না নিয়ে শুধু এসডি কার্ড খুলে নিয়ে তার ফোনে প্রবেশ করিয়ে সকল ডাটা হাতিয়ে নিতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপনার ফোন এবং এসডি কার্ডকে ইনক্রিপটেড করে রাখেন এবং কিছু সময় ভুল চেষ্টা করলে সব ডাটা মুছে যাওয়ার সিস্টেম সেট করে রাখেন তবে আপনাকে নিরাপত্তা নিয়ে আর কোন দুশ্চিন্তা করতে হবে না।

শেষ কথা

আশা করি আজকের আলোচ্য বিষয়ের উপর সহজ এবং সঠিক যুক্তি দিয়ে আলোচনা সম্পূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছি। হাঁ, সামান্য কয়েকটি বিষয়ের উপর বিশেষ খেয়াল রাখলেই ফোনে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারের কোন প্রয়োজন পড়বে না। আপনি যদি এখনো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে চান তবে নিচে টিউমেন্ট করে জানান কেন? তাছাড়া আপনার সকল ডাটার সুরক্ষার জন্য অবশ্যই ইনক্রিপশন ব্যবহার করুন। কেনোনা ইনক্রিপশন ব্যবহার না করার কোন কারন নেই। মনে করুন আপনার ফোনটি কোন ভাবে হারিয়ে গেলো, তো সেই অবস্থায় অন্তত আপনি আপনার ডাটা নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন। আমার কথা বিশ্বাস করুন বন্ধুরা, ইনক্রিপশন করানোর ফলে আপনার বিশাল মাথা বাথ্যা থেকে বেঁচে যেতে পারেন আপনি। তাই আপনারা যারা এখনো আপনাদের ফোনকে ইনক্রিপটেড করেননি তারা টিউমেন্টে মতামত জানান যে কেন? আর এসকল বিষয়ে আপনার যদি কোন আলাদা প্রশ্ন থাকে তবে তো অবশ্যই টিউমেন্ট করে জানাতে হবে।


ভাইরাসের কারণ এবং ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করণ

ভাইরাসের কারণ এবং ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করণ


আমাদের যদি কোন পরিচিত লোক অসুস্থ হয়, আমরা তাকে বলি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে বা প্রাথমিক ভাবে কিছু ওষুধ খাওয়াতে। আর যদি তা আমাদের প্রিয় যন্ত্রটির সাথে হয় তবে তো কথাই নেই।

সাথে সাথে অ্যান্টিভাইরাস লাগাতে বলি।

হা! আমি কম্পিউটারের কথাই বলছি। এক্ষেত্রে আমরা যাকে প্রতিরোধক মনে করছি, তা আসলে প্রতিষেধক। ভাইরাস আক্রমণের আগে কম্পিউটারে অ্যান্টিভাইরাস থাকতে হবে, পরে নয়। কারণ, ভাইরাস আক্রমণের পরে অ্যান্টিভাইরাসের কিছু করার থাকে না। সে শুধু বসে মজা দেখে আর কি।

এ সময় আপনার ২টি উপায় আছে।

 

১. উইন্ডোজ ইন্সটল করা

২. ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করা।

আজকের লেখাটি মূলত ২য় উপায় সম্পর্কে।

ভাইরাসকে অনেক ভাবেই নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব। কিন্তু তার মধ্যে বিভিন্নতা আছে ভাইরাসের কার্যকারিতা অনুযায়ী। প্রবেশের পর ভাইরাস মূলত নিজেকে ২টি জায়গাতে স্থায়ী করে। একটি হল স্টার্টআপ এবং অন্যটি হল রেজিস্ট্রি। তারপর নিজের সম্রাজ্য বিস্তার শুরু করে। চাইলে সহজেই আমরা এই সাম্রাজ্যের মূলকে স্তব্ধ করে দিতে পারি।

এর জন্য লাগবে আমাদের সবার প্রিয় CCleaner সফটওয়্যার। এর একটি চমৎকার টুল আছে যার নাম startup।

anti virus


টুলটিতে গিয়ে আমাদের সবচেয়ে প্রথমে দেখতে হবে যে অজানা কোন কোম্পানির সফটওয়্যার কি আছে কি না। Adobe, Microsoft, Skype, ইত্যাদি হল পরিচিত পাবলিশার।

এরা ছাড়া বাকি যাদের ব্যাপারে যথেষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে না, তারাই হল প্রধান চরিত্র। এদের ক্ষেত্রে, প্রতিটি এন্ট্রি ডিজেবল বা প্রয়োজনে ডিলিট করে দিতে হবে। এই পদ্ধতিটি হয়েতো সব ভাইরাসের ক্ষেত্রে কাজ করবে না কিন্তু চেষ্টা করতে তো আর দোষের কিছু নেই।

আর কিছু না হোক, উইন্ডোজ রিইন্সটল করার ঝামেলা থেকে বাঁচার একটা সম্ভবনা তো থাকবে।
ESET Internet Security 10 সক্রিয় লাইসেন্স কী

ESET Internet Security 10 সক্রিয় লাইসেন্স কী



নিঃসন্ধেহে ESET একটি শক্তিশালী, বেস্ট Internet Security সফটওয়্যার। সম্প্রতি এটির নতুন সংস্করণ Eset Internet Security 10 বের হয়েছে। কিছু নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে এতে।
সেগুলো হল...
  • *Home Network Protection : আপনার রাউটার এর উইকনেস গুলো ধরতে পারবেন।
  • *Web cam Protection: কেও যদি আপনার  Web Cam এ এক্সেস করতে চাইলে ESET আপনাক সতর্ক করবে।
  • Windows 10 Compatible: উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে অন্যসকল অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের চেয়ে বেশি উপযোগী।

আর পুরাতন সব ফিচার  তো আছেই।
  • Antivirus.
  • Antispyware.
  • Banking & Payment Protection.
  • Anti-Theft.
  • Personal Firewall.
  • Parental Control.
  • Exploit Blocker.
  • Advanced Memory Scanner.
  • Vulnerability Shield.
  • Botnet Protection.
  • Anti-Phishing.
  • Antispam.

* আজ আমি আপনাদের সক্রিয় লাইসেন্স কি সহ  Eset Internet Security 10 শেয়ার করবো। প্রথমেই নিচের থেকে ডাউনলোড করে নিন।


এরপর আপনার পিসিতে ইন্সটল করুন।
নিচের সক্রিয় কি থেকে একটিভ করুন...
***আপডেট সক্রিয় লাইসেন্স কি...
afax-w333-enpt-tbas-vb9e
afax-w333-eajc-cgbf-3nhu
afax-w333-erd9-9gvs-aj28
afax-w333-eacs-stam-pn7x
AH57-X76A-EX77-9WUR-FXHA
CDVE-XRNT-GPNC-KSM4-D6P8
B4FU-XSUJ-MHFA-UGU6-9GH8
CFPR-XB6U-U5CJ-AFCB-3B4A
AU5T-XGBF-7VJA-AMJ7-EC25
ATFX-XAGJ-ATD9-VG5W-56M6
BTFE-XR9S-MFDG-9AVR-4NM7
BT2T-XBK4-X6D8-EUKT-C6BC
আশা করি, আপনাদের লাইসেন্স জনিত সমস্যাগুলো এবার এই সক্রিয় কী দ্বারা সমাধান হবেই হবে।
আবারও বলছি, সমস্যা হলে টিউমেন্ট করতে ভুলবেন না। আমি নতুন টিউনার অনেক ভুলত্রুটি হতে পারে, ভুলগুলো ক্ষমার চোখে দেখবেন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আমি পরবর্তীতে আপনাদেরকে আরও মানসম্মত টিউন উপহার দিতে পারি।
শিখতে চাই আরও অনেক কিছু, আর আমি এগিয়ে যেতে চাই অনেক দূর।
ডাউনলোড করেনিন অ্যাডবি ড্রিমওয়েভার CC 2015 এর নতুন ভার্শন।

ডাউনলোড করেনিন অ্যাডবি ড্রিমওয়েভার CC 2015 এর নতুন ভার্শন।


অ্যাডোব ড্রিমউইভার (ইংরেজি: Adobe Dreamweaver) হচ্ছে অ্যাডোব সিস্টেমস কর্তৃক তৈরি জনপ্রিয় ওয়েবপেজ ডিজাইনের সফটওয়্যার। প্রথমে ম্যাক্রমিডিয়া ইহা প্রস্তুত করলেও পরবর্তীতে ২০০৫ সালে অ্যাডোবি এর স্বত্ত্ব কিনে নেয়।

ড্রিমউইভার ম্যাক এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম-উভয়ে ব্যবহারের জন্যই প্রযোজ্য। সাম্প্রতিক সংস্করণগুলোতে ওয়েবভিত্তিক প্রযুক্তি যেমন: সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট, এবং অন্যান্য সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং প্রোগ্রামিং ভাষা, এবং ফ্রেমওয়ার্ক, যেমন: এএসপি, কোল্ডফিউশন এবং পিএইচপি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।


ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপ এর কাজ যারা করেন তাদের জন্য অতি জরুরী ও প্রয়োজনীয় একটি সফটওয়্যার হচ্ছে Adobe Dreamweaver। এটির সাহায্যে খুব সহজেই ওয়েব টেমপ্লেট তৈরী করা যায়। ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপিং এ যারা অভিজ্ঞ তাদের জন্যই শুধুমাত্র Adobe Dreamweaver CC 2015। Adobe Dreamweaver CC 2015 এর সর্বশেষ সংস্করণের ডাউনলোড লিংক আপনাদের জন্য দেওয়া হলো।


দেখে নিন কিভাবে ইনষ্টল করবেন:
☞ কিভাবে ফুল ভার্সন করবেন নীচে থেকে বিস্তারিত দেখে নিন:
১//  প্রথমে আপনার প্রোডাক্ট ডাউনলোড করুন সঙ্গে প্যাচ ফাইলটিও ডাউনলোড করুন।
২// এবার আপনার ইন্টারনেট বন্ধ করে দিন।
৩// এবার প্যাচ ফাইল টিকে ওপেন করে ড্রপ মেনু তে ক্লিক করে আপনি কোন প্রোডাক্টকে ফুল ভার্সন করতে চান সেটা সিলেক্ট করুন।
৪// এবার প্যাচ বাটনে ক্লিক করুন এবং কিছু ক্ষণ অপেক্ষা করুন। যতক্ষণ না কাজ সম্পূর্ণ হয়।
৫// ব্যাস হয়েগেল ফুল ভার্সন এবার আপনি ইন্টারনেট পুনরাই চালু করে নিতে পারেন। নীচের চিত্রে দেখুন।
অ্যাডবি ড্রিমওয়েভার CC 2015
* এবার অ্যাডবি ড্রিমওয়েভার CC 2015 এর ফুল ভার্শন ব্যবহার করুন।



ফ্রি ডাউনলোড করুন Adobe Dreamweaver CC – আজীবন মেয়াদসহ


ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে যাদের আগ্রহ আছে অথবা যারা ইতিমধ্যে ওয়েব ডিজাইনিং এ অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছেন – আপনারা সকলেই এডোবি ড্রিমওয়েভার সফটওয়্যারটির কথা শুনেছেন, ব্যবহার করেছিলেন অথবা এখনো ব্যবহার করছেন।
এটি একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে আপনি খুব দ্রুত ও খুব সহজে, সুন্দর ও আকর্ষণীয় ডিজাইনে তৈরি করতে পারেন আপনার ব্যক্তিগত কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট।

ওয়েবসাইট তৈরির কাজ খুব সহজ না হলেও, এডোবি ড্রিমওয়েভার বরাবরই সব কঠিন কাজকে সহজে করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

সর্বপ্রথম ১৯৯৭ সালের নভেম্বরে এডোবি সিস্টেমস প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাপি সকল ওয়েব ডেভেলপারদেরকে চমকে দিতে এডোবি ড্রিমওয়েভার সফটওয়্যারটির আত্মপ্রকাশ ঘটায়। তারপর থেকেই একের পর এক নতুন সংস্করণ প্রকাশ হয়েছে ড্রিমওয়েভারের যা ওয়েব ডেভেলপারদের মন কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। এডোবি ড্রিমওয়েভার সর্বশেষ সংস্করণ হচ্ছে এডোবি ড্রিমওয়েভার সিসি (Adobe Dreamweaver CC)।

তবে আসল কথা হচ্ছে এটি একটি পেইড সফটওয়্যার। আমরা যারা ৩০ দিনের জন্য ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করে থাকি, ৩০ দিন পর সফটওয়্যারটি লাইসেন্স কি চায় এবং লাইসেন্স কি ছাড়া কাজ করে না। আজকে আমি আপনাদের সাথে এডোবি ড্রিমওয়েভার সর্বশেষ সংস্করণ এডোবি ড্রিমওয়েভার সিসি (Adobe Dreamweaver CC) সফটওয়্যারটি এক্টিভেশন ফাইলসহ শেয়ার করব, এবং এটি ৩০ দিন পরে আর লাইসেন্স কী চাইবে না অর্থাৎ আপনি সম্পূর্ণ আপডেট ভার্সনের এই সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে সারাজীবনের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।

নিচের লিঙ্ক থেকে সফটওয়্যারটি এবং সফটওয়্যারটির এক্টিভেশন ফাইল ডাউনলোড করে নিন।

ডাউনলোড লিঙ্ক



যেভাবে ইন্সটল করবেনঃ


  • ডাউনলোড করার পর ফাইল দুটো আনজিপ করে নিন।
  • আপনার কম্পিউটারের ইন্টারনেট কানেকশন অফ করুন।
  • আপনার কম্পিউটারে যদি আগের কোন ভার্সন ইন্সটল করা থাকে তবে তা প্রথমে রিমুভ করে নিন।
  • Adobe Dreamweaver CC ফোল্ডারের ভেতর “Set-up.exe” নামের ফাইলে ডাবল ক্লিক করে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন।
  • ইন্সটলেশনের শেষ মুহূর্তে আপনি ট্রায়াল ভার্সন সিলেক্ট করে দিবেন।
  • এবার সফটওয়্যারটি অফ করুন।
  • এক্টিভেশন ফোল্ডারটি ওপেন করুন, এখানে আপনি একটি ফাইল দেখতে পাবেন “amtlib.dll” নামে।
  • ফাইলটি কপি করে আপনার পিসির সি ড্রাইভে যেখানে সফটওয়্যারটি ইন্সটল হয়েছে সেই ফোল্ডারের ভেতরে যেয়ে পেস্ট করে দিন।
  • পেস্ট করার সময় অবশ্যই কপি এন্ড রিপ্লেস সিলেক্ট করে দিবেন।
  • ব্যাস। আপনার কাজ শেষ।
  • উপভোগ করুন আজীবন মেয়াদের Adobe Dreamweaver CC
কিভাবে US এডসেন্স একাউন্টে Tax ইনফরমেশন Submit করবেন

কিভাবে US এডসেন্স একাউন্টে Tax ইনফরমেশন Submit করবেন


ফেইসবুক অনেকে জিজ্ঞাসা করে ভাই, কিভাবে Us এডসেন্স একাউন্টে ট্যাক্স ইনফরমেশন Submit করবো|
আবার অনেককেই দেখলাম Fiverr থেকে টাকা দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে,তো চলুন আজ আমি আপনাদের ফ্রীতেই শিখাবো কিভাবে খুব সহজেই Us এডসেন্স একাউন্টে ট্যাক্স ইনফরমেশন Submit করবেন|
নিচের ধাপগুলো ভালোভাবে অনুসরণ করুন :

১.আপনার ADSENSE একাউন্ট এ লগইন করে "PAYMENT" অপসন এ যান|
২.বাম সাইড এর সাইডবার থেকে “payee profile" এ ক্লিক করুন


৩.Note down আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং নাম নোটপ্যাড এ SAVE করে রাখুন or স্ক্রীনশর্ট নিয়ে রাখুন|
৪.এখন এডিট এ ক্লিক করুন

৫.নিচে নামুন আড্রেস ফিল্ড এর সামনে

৬.কান্ট্রি চেঞ্জ করে “Us Virgin Islands (VI)” দিন |

৭.আড্রেস আর সিটি এর জায়গায়  “Thomas” দিন

৮.টিউনাল কোড এর জায়গায় “00802” দিন

৯.স্টেট অপসন এর জায়গায় “Virgin Island” দিন

১০. save করুন পরে “submit tax information” এ ক্লিক করুন

১১.তারপর আপনাকে ৩ টি প্রশ্ন করা হবে, সবগুলোতে "no" দিন

১২.কন্টিনিউ দেয়ার পর নতুন একটি পেজ আসবে, Signature Field এ আপনার adsense একাউন্ট যেই নাম এ করা দিন|আর capacity field এ লিখুন “Publisher”.

১৩.save করুন আর save করার পর দেখবেনআপনাকে "Payee profile" পেজ এ রিডাইরেক্ট করে নিয়ে এসেছে, এবং আপনি দেখতে পাবেন,আপনার Tax Forum is successfully  submitted.আপনি সফলভাবে Us এডসেন্স একাউন্টে ট্যাক্স ইনফরমেশন Submit করতে পেরেছেন |

১৪.আপনার কাজ শেষ| এখন আপনি আবার save করে রাখা আগের আড্রেসটি আগের মত বসিয়ে দিন কান্ট্রি US করে|
WARNING : TAX ইনফরমেশন SUBMIT করার পর নাম চেঞ্জ করতে পারবেন না|
আয় করুন ১০০ থেকে ২৫০+ ডলার ব্লগিং করে



ব্লগিং করে প্রতি মাসে আয় করুন ১০০ থেকে ২৫০+ ডলার, বাংলা ইংলিশ বা যে কোন ভাষার ব্লগ থেকে !


আমরা প্রায় সকল ওয়েবমাস্টারই কম বেশি গুগল এ্যডসেন্স একাউন্টের জন্য অনেক চেষ্টা করি। কেউ খুব সহজেই পেয়ে যাই আবার কেউ অনেক চেষ্টা করেও পাননা। গুগল এ্যডসেন্স এখন ডিম পাড়া মুরগির মত। গুগল এ্যডসেন্স একাউন্ট পাওয়া যতটা কঠিন, একাউন্টটিকে ঠিকঠাক রাখা তার চেয়েও কঠিন। কেননা গুগলের অনেক বাধ্যবাধকতা আছে। যা মেনে চলা অনেক কঠিন। অনেক ক্যাটাগরির সাইট বিশেষ করে এডাল্ট, কপি-পেস্ট, ডাউনলোডিং সাইটেতো গুগল এ্যডসেন্স ব্যবহারই করা যাবেনা। ব্যবহার করলেই একাউন্ট ব্যান হবে। তাই আজকে আমি Google Adsense এর শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান সাইট সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। সাইটটির নাম RevenueHits. নিচে সাইটটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করছি।

RevenueHits কি ?

RevenueHits একটি অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যা একটি ওয়েবসাইটের ট্রাফিক থেকে অর্থ উপার্যন করতে সহায়তা করে। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে। এটি ইসিপিএম এর মধ্যে সর্বোচ্চ $30 পর্যন্ত বহন করে এবং এটি একটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। এরা বিজ্ঞাপনদাতার চাহিদার তুলনায় প্রকাশকের আনা ট্রাফিকের ওপর নির্ভর করে অফার বা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে থাকে। এটি দেশ ভিত্তিক লক্ষপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক তথ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক।
RevenueHits কিভাবে অর্থ প্রদান করে ?

RevenueHits সম্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে এটি এড ইম্প্রেশন বা ক্লিকে অর্থপ্রদান করেন না। এটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যেমন- কর্ম ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান।
বর্তমানে সিপিএ নেটওয়ার্ক গুলো বিজ্ঞাপন ইম্প্রেশন বা ক্লিকের ওপর অর্থ দেয়না বরং ব্যবহারকারীর কর্মের ওপর অর্থ দেয়। ব্যবহারকারীর কর্ম যেকোন ধরনের হতে পারে যেমন, ওয়েবসাইট ভিজিট, ইউজার ইমেইল, আইডি, মোবাইল নম্বর, অন্যান্য তথ্য, কোন সফটওয়্যার ইনিস্টল বা একাউন্ট তৈরি ইত্যাদি ইত্যাদি যা বিজ্ঞাপনদাতা চায়। সুতরাং বিভিন্ন ফোরাম সাইটে ব্লগারদের টিউন বা টিউমেন্টে আপনার দ্বিধাবোধ হতে পারে যে 10000 ভিজিটরে প্রতিদিন $50 – $60 ইনকাম হয় আবার অন্য দিন বা অন্য ব্লগারের কোন ইনকামই হয়না। তবে একটা কথা বলে রাখি রিভিনিউহিটস কিন্তু রিভিনিউ দেখায় 2 দিন পরে। প্রথম দিনই আপনার মনে হতে পারে যে এটি ফেইক। কারন আপনি যখন ড্যাসবোর্ডে ঢুকবেন তখন আপাকে রিভিনিউহিটস দেখাবে আপনার সাইটে কতগুলা ইম্প্রেশন হয়েছে, কতটা ক্লিক হয়েছে এবং কত রিভিনিউ হয়েছে। সেখানে দেখবেন ইম্পেশন এবং ক্লিক হয়েছে অনেক, কিন্তু রিভিনিউ এ কোন টাকা দেখাচ্ছেনা। এটা দেখে চিন্তার কিছু নাই। পরের দিন ঠিকই আপনার টাকা দেখাবে।
RevenueHits ব্যবহার করে অনেকেই অল্প ট্রাফিক বা ভিজিটর দিয়ে দিনে $5 – $10 ইনকাম করছে। তবে RevenueHits এর বিশেষ একটি দিক হচ্ছে এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান। মনে করুন আপনি ইউ.কে তে আছেন আপনার কাছে কখনই ইউ.এস ভিত্তিক আমাজনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ হবেনা। আপনার কাছে ইউ.কে ভিত্তিক কোন লক্ষ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে। ফলে ইসিপিএম রেটটাও বেশি থাকবে এবং সর্বোচ্চ উপার্যনের সুযোগ থাকবে।
RevenueHits পেমেন্ট বা টাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ?

RevenueHits এর টাকা উত্তোলনের পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে পেপাল, পেওনিয়ার, ব্যাংক ট্রান্সফার।
সর্বনিম্ন পেমেন্ট = $20
পেমেন্ট ফ্রিকুয়েন্সি = NET.30
(যার মানে হল আপনি এই মাসে পেমেন্ট এর জন্য রিকুয়েস্ট করলে পরের মাসের আগেই সেই ডলার আপনি পেয়ে যাবেন)
আমার ইঙ্কামের একটি স্ক্রিনশট


RevenueHits কি কি ধরনের বিজ্ঞাপন সাপোর্ট করে ?


Banner Ads
Pop under advertisement
Shadow box ads
Slider Ads
Pop/Button/Side banner Ads
Button Ads
Mobile Ads

RevenueHits এ্যকাউন্ট করা সহজ নাকি কঠিন ?


শুরুতেই বলেছিলাম গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়া অনেক কঠিন কাজ। তাছাড়া বিভিন্ন সনামধণ্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে যা অনেক ওয়েবমাস্টারের পক্ষ্যে সম্ভব হয়না। ফলে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। RevenueHits এর ক্ষ্যেত্রে তেমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। মাত্র ৫ মিনিটেই আপনার একাউন্ট রেডি। আপনি যদি নতুন ব্লগার হয়েথাকেন তাহলে আমি সাজেশন দিবো আপনি নির্দিধায় RevenueHits ব্যবহার করুন।

RevenueHits VS Google Adsense বা অন্যন্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান কোনটা বেশি ভাল ?


আমি এখানে শুধু এ্যডসেন্স এর সঙ্গে রিভিনিউহিটসের তুলনা করবো। কেননা আমরা সবাই জানি যে গুগল এ্যডসেন্স ই সেরা। তাই বাকি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের (ClickSor, InfoLinks,Chitika, Bidvertiser) সঙ্গে তুলনা করে শুধু শুধু সময় নষ্ট করছি না। তাহলে আসুন দেখি দুইটার মিল ও পার্থক্য।

RevenueHits ও Google Adsense এর মধ্যে মিল-


রিভিনিউহিটস ও অ্যাডসেন্স দুইটায় লক্ষ্যপূর্ণ বা কাঙ্খিত ভিজিটরদের টার্গেটেড বিজ্ঞাপন দেখায়।
দুইটাই ইসিপিএম, ক্লিক, ইম্প্রেশন (মাঝেমাঝে), রিভিনিউ ইত্যাদিতে টাকা দেয়।
দুইটাই বিভিন্ন সাইজের মানাসই বিজ্ঞাপন সাইজ সাপোর্ট করে।
ব্যবহার খুবই সহজ।

RevenueHits ও Google Adsense এর মধ্যে পার্থক্য-


অ্যাডসেন্স একাউন্ট পেতে হলে সাইটের বয়স কমপক্ষে ৬ মাস বয়স হতে হবে। রিভিনিউহিটস  একাউন্ট পেতে মাত্র ৩ মিনিট সময় লাগতে পরে।
অ্যাডসেন্স ফেইক ট্রাফিক সাপোর্ট করেনা এবং ফেইক ট্রাফিকের কারনে একাউন্ট ব্যান করে দিতে পারে। রিভিনিউহিটস ফেইকট্রাফিকেউ অনেক সময় পে করে থাকে।
অ্যাডসেন্স ব্যবহারে অনেক বাধ্যবাধকতা আছে কিন্তু রিভিনিউহিটসে কোন বাধ্যকতা নাই।
অ্যাডসেন্স কপিরাইট সাইট সাপোর্ট করেনা। রিভিনিউহিটস কপিরাইটে প্রবলেম করেনা।
অ্যাডসেন্সে পিন ও এড্রেস ভেরিফিকেসন করতে হয় কিন্তু রিভিনিউহিটসে কোন ভেরিফিকেসনের ঝামেলা নাই।
এ্যডসেন্সের সাথে পপ অ্যাডস বা অন্য কোন অ্যাডস ব্যবহার করা যায়না। রিভিনিউহিটসে তেমন কোন সমস্যা নাই।
অ্যাডসেন্স পেপাল বা পেওনিয়র সাপোর্ট করেনা। শুধুমাত্র ব্যাংক চেক এর মাধ্যমে পে করে থাকে। কিন্তু রিভিনিউহিটস পেপাল, পেওনিয়র, ব্যাংক সাপোর্ট করে।
অ্যাডসেন্স ১০০ ডলার হলে টাকা দিয়ে থাকে কিন্তু রিভিনিউহিটস মাত্র ২০ ডলার হলে টাকা দেয়।
অ্যাডসেন্সের রেফারেল বোনাস নাই। কিন্তু রিভিউহিটস এর রেফারেল বোনাস আছে।
রিভিনিউহিটস কোষ্ট পার একশান হিসেবে টাকা পে করে। যদিও রিভিনিউহিটস ইম্প্রেশন বা ক্লিকে টাকা দেয়না এখানে একটা প্রশ্ন থাকতে পারে যে খুব কম ভিজিটরই কোষ্ট একশান শর্ত পূরন করেন। তাহলে আর্ন হবে কি করে ? বিষয়টা হচ্ছে এমন যে অনেক ধরনের অ্যাডস আছে যেগুলা শুধু ভিজিট বা ইম্প্রেশন রিকুয়ার্ড। তবে যেইসকল বিজ্ঞাপনদাতা দের শর্ত বেশি তাদের শর্ত পূরন হলে ইনকামও বেশি।
তারপর “” বাটনে ক্লিক করুন। একটি ফর্ম আসবে তাতে ফাস্ট নেম, লাস্ট নেম, সাইট নেম, সাইট ইউআরেল, সাইট ট্রাফিক (WEB), এবং সাইট ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে “Next Step” বাটনে ক্লিক করুন। এবার দ্বিতীয় ধাপে ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, ইমেইল, মোবাইল নম্বর কান্ট্রিকোড সহ, সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর এবং টার্মস এনড কন্ডিশনের বক্স টিক দিয়ে “Submit” বাটনে ক্লিক করে ইমেইল ভেরিফিকেশন করুন। আপনার অ্যাকাউন্ট রেডি। আপনার একাউন্টের ড্যাসবোর্ড এ “New Placement” এ ক্লিক করে অ্যাডস সেটআপ করুন এবং আপনার সাইটে যুক্ত করুন।
তাই এডসিন্স এর বিকল্প হিসেবে যারা ব্লগ বা ওয়েব থেকে আরনিং করতে চান তারা অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলুন RevenueHits এ
Adsense এ সাইন আপ করতে চাচ্ছেন? আগে এই টিউন টা একবার পড়ে দেখেন



Adsense এ সাইন আপ করতে চাচ্ছেন? আগে এই টিউন টা একবার পড়ে দেখেন





আসসালামুয়ালাইকুম।


সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন :)

আজ এই টিউনে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম "এডসেন্স এ এপ্লাই করার আগে কি কি করতে হবে।এবং এপ্রোভ হবার পরে কি মেনে চলতে হবে। :)

তাহলে শুরু করছি।

গুগল এডসেন্স পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ওগ্রহনযোগ্য উপার্জনের সাইট .এখানে একটা অ্যাকাউন্টপাওয়া সোনার হরিন পাওয়ার সমতুল্য মনে করি সবাই.আসলে গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য দীর্ঘ ১ বছর এরপিছনে লেগে ছিলাম. টাকা দিয়ে কিনতে চেয়েছি তবুপারিনি. পরে অবশ্য নিজের চেষ্টায় দেখা পেয়েছিসোনার হরিনের। যারা এডসেন্স একাউন্ট সহজেপেতে চান তারা Adsense আবেদন করারসময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল করুন তবেই হয়ে যাবে।

১. আপনি যদি ঢাকার বাইরে থাকেন.তবে অবশ্যই ঢাকার মধ্যথাকে এমন বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয় স্বজনের ঠিকানাব্যবহার করুন . সম্ভব হলে ১০০০ বা ১২৩০ এইটিউনকোডের ঠিকানা ব্যবহার করুন। ভুলেওমফস্বলের ঠিকানা ব্যবহার করবেন না।একাউন্ট এপ্রোভহওয়ার সাথে সাথে আপনার ঠিকানা পাল্টাতে পারেনটিউনকোড সহ।

২. বাংলা কন্টেন থাকলে পুরোটাই ইংরেজী করুন।

৩. সাবডোমেইন ব্যবহার করবেন না,একটু কষ্ট হলেওআপনার পরিচিত কাউকে ধরে একটা ডোমেইন কিনেব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট বানাতে পারেন। ভুলেওco.cc ডোমেইন ব্যবহার করবেন না। কারন ইতিমধ্য গুগলএডসেন্স co.cc সাইটে ব্যান করতে শুরু করেছে,তাদের সার্চ ইন্জিন থেকেও ব্যান করেছে।(অনেকেই সাবডোমেইন দিয়ে পেয়েছে।)

৪. সুন্দর করে সাইটের পেজ গুলো বানান যেমনঃAbout us . contact us .privacy policy ও Copyright বিষয়ে

৫. যদি উপরের নিয়ম আবেদন করে থাকেন .তবে গুগলএডসেন্স থেকে ডোমেইন ভেরীফাই করতে বলাহতে পারে এজন্য আপনার পাবলিশার নাম্বারসহ আরোকয়েকটি ওয়ার্ড যোগ করে দিবে যা দিয়েপরবর্তীতে একটা পেজ বানাতে হবে এই শিরোনামে“This post my domain ownership” তারপর এই পেজেরলিংক দিয়ে আবার সাবমিট করুন। এগুলো ঠিক থাকলেনিশ্চিতে আবেদন করুন, তবেই আমার মতো দুই বত্সরঘুরতে হবেনা। তার প্রমান এগুলো মেনে আমার বন্ধুরজন্য আবেদন করেছিলাম মাত্র ৩ দিন লেগেছিলএপ্রোভ হতে।কিন্তু বন্ধুটি ডলারের লোভ সামলাতেনা পেরে প্রক্সি ব্যবহার করে নিজে ও বন্ধুদেরদিয়ে ক্লীক করিয়ে ৭দিনে ৬০ ডলার কামিয়েছিল পরেঅবশ্য ৮দিন পরে নিজের মাথায় হাতে দিয়েছিল কারনগুগল মামা ইতিমধ্য তাকে ব্যানড করে দিয়েছে। কিন্তুমজার ব্যাপার হলো অন্য সাইটদিয়ে তার জন্যপরবর্তীতে আবার যখন আবেদন করেছিলাম মাত্র২ঘন্টায় এপ্রোভ হয়েছিল।


দি আপনার গুগল এডসেন্স এপ্রোভ হয়ে থাকে তবেভুলেও এই কাজ গুলো করবেন না:

১. কখনো আপনার পিসি থেকে আপনার এড ক্লীককরবেন না।২. কখনো এক আইপি বা পিসি দিয়ে একাধিক এডসেন্সেলগ ইন করবেন না।৩. বন্ধুদের দিয়ে একটা বেশী ক্লীক করাবেন না।৪. সাইটে এডাল্ট কনটেন যুক্ত করবেন না।৫. বেশী ভিজিটর পাওয়ার লোভে বিভিন্ন কমিউনিটি বাসামাজিক সাইটে লিংক শেয়ার করবেন না (তাতে ক্ষতি হতেপারে উপকার নয়)

অনেকে বলেন তাহলে ভিজিটর পাবো কিভাবে বা আয়কিভাবে হবে ?উঃ ভিজিটর পেতে প্রচুর টিউন করতেহবে | শুধু অন্ধের মত টিউন করলেই চলবেনা.এজন্য গুগল এডসেন্সকে খেয়াল করতে হবে যেকি ধরনের টিউন বেশী সার্চ হচ্ছে ঐ বিষয় গুলোনিয়ে টিউন লিখুন। একজন বাংলাদেশী ভিজিটরেরচেয়ে একজন আমেরিকান ভিজিটরের ক্লীকের মূল্যঅনেক বেশী তাই যাতে ওদের বেশী আকৃষ্ট করাযায় এদিক খেয়াল রাখতে হবে। আপনার সাইটটি পরিস্কাররাখার চেষ্টা করুন যাতে ভিজিটর সহজেই এডের প্রতিআকৃষ্ট হয় .অনেক সাইট দেখেছি যারা বেশী উইজেটব্যবহার করে সাইট অপরিছন্ন করে রাখে। গুগলএডসেন্স নিয়ে ইতিপূর্বে অনেক লেখা ইতিমধ্যআছে. আমি আমার মত করে লিখলাম যাতে নতুনদেরকাজে লাগে।
কীভাবে আপনার ব্লগটিকে Income Machine এ পরিণত করবেন

কীভাবে আপনার ব্লগটিকে Income Machine এ পরিণত করবেন


এমন এক সময় ছিল যখন ব্লগিং একগুয়ে রকমের ছিল। অনলাইনে আসা খুব কঠিন ছিল এবং ব্লগিং করতে যা খরচ হত, ততটা লাভ পাওয়া যেত না। কিন্তু আগের কয়েক বছরে সবকিছুর পরিবর্তন হয়ে গেছে। ইন্টারনেট এখন কৌতুহল থেকে নিত্যনৈমিত্তিক প্রয়োজনে পরিণত হয়েছে। এখনকার যোগাযোগ ব্যাবস্থা যা একসময় আমরা ভাবতেও পারতাম না, তা এখন আমাদের জীবনের একটা অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারনেট এখন এমন এক জায়গায় পরিণত হয়েছে, যেখানে একজন মানুষ ঘরে বসেই এখন হাজার হাজার ডলার আয় করতে পারে, কিন্তু তার জন্য অবশ্যই খাটতে হবে। নীচে আমি ৫ টি কৌশল (Strategy) নিয়ে আলোচনা করছি, যেগুলি আপনার ব্লগে প্রয়োগ করে আপনি আপনার ব্লগকে একটি Income Machine এ পরিণত করতে পারবেন।

১) আপনার ব্লগে PPC Ads বসান earn-online-from-ppc-ads-blogging আপনার ব্লগকে Monetize করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দেওয়া। কিন্তু তাই বলে সব ব্লগ দিয়েই যে বিজ্জাপন দিয়ে মাসে মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা যাবে তা নয়। কিন্তু এই ছোট ছোট পদক্ষেপ গুলি একসাথে মিলেই আপনার ব্লগ থেকে ভাল টাকা ইনকামের পথ খুলে দেবে। আপনি আপনার ইচ্ছানুযায়ী বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন আপনার ব্লগে ব্যবহার করতে পারেন যেমন- Text Link Ads, Banner Ads, Pop-up Ads ইত্যাদি। আপনার ভিসিটর যখন আপনার ব্লগের এইসব বিজ্ঞাপন গুলিতে ক্লিক করবে তখন আপনি ওই বিজ্ঞাপন কোম্পানির কাছ থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ আয় করতে পারবেন। কিন্তু আপনার আয়ের পরিমান, আপনার ভিসিটরের সংখ্যা, তাদের ক্লিকের হার, বিজ্ঞাপন কোম্পানি, কোন দেশের ভিসিটর বেশী এসবের ওপর নির্ভর করবে।

২) Affiliate Product Promote করা Affiliate Marketing অনেকটা Direct Ads এর মতোই, কিন্তু আসলে দুটো জিনিস এক নয়। এখানে আপনাকে আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপনের জায়গা (Ad Space) দেওয়ার বদলে আপনার প্রোমোট করা জিনিসগুলি নিয়ে টিউন লিখতে হবে, যাতে ভিসিটর আপনার টিউনগুলি পড়ে সেসব জিনিস কিনে নেয়। আর তারা সেসব জিনিস কিনলে আপনি, প্রত্যেক প্রোডাক্ট এর উপর একটি নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন। ShareASale এধরণের Affiliate Marketing করার জন্য একটি বিশ্বস্ত জায়গা। যেসব ব্লগারদের অনেক পাঠক আছে তারা এই Affiliate Marketing করে প্রতিদিন অনেক টাকা আয় করে। সারা পৃথিবীর প্রথম সারির ব্লগ Shoutmeloud.Com এর প্রতিষ্ঠাতা Harsh Agrawal এর এই ব্লগটির এত বড় সাফল্যের পেছনেও এই Affiliate Marketing ই লুকিয়ে রয়েছে। Affiliate Marketing করে বিক্রি করে দেওয়া প্রত্যেক জিনিসের দামের প্রায় ১০%-৩০% পর্যন্ত আপনি পেতে পারেন কমিশন হিসেবে। উদাহরণ হিসেবে ধরুন আপনার ব্লগটি রান্নার রেসিপির উপর বানানো। আপনি আপনার ব্লগে প্রেসার কুকারের একটি Affiliate লিংক দিলেন। কুকারটির দাম ২,৫০০ টাকা। এবার ধরুন কেউ আপনার ব্লগের ওই এফিলিয়েট লিংকটি দেখে সেখানে গিয়ে একটি প্রেসার কুকার কিনে নিল। তাহলে আপনি যদি তার ১০% কমিশন হিসেবে পান, তাহলে সেখান থেকে আপনার আয়ের পরিমান হবে ২৫০০ টাকার ১০%, অর্থাৎ ২৫০০x১০=২৫০০০/১০০=২৫০ টাকা। আর যদি এরকম করে ৫ জন সেখান থেকে একিভাবে কেনে তাহলে আপনার ইনকাম হবে ২৫০X৫=১২৫০ টাকা। কিন্তু আপনার ব্লগে যদি পর্যাপ্ত ভিসিটর না থাকে তাহলে আপনাকে এভাবে আয় করতে হলে বেগ পেতে হবে। earn-online-from-affiliate-marketing-blogging ছবিটির উৎস : Sugarrae

৩) আপনার নিজের তৈরি করা জিনিস বিক্রি করুন আপনার ব্লগে ভিসিটর বেশী থাকলে আপনি সেখানে Affiliate Marketing এর সাথে সাথে নিজের তৈরি করা জিনিসও বিক্রি করে আয় করতে পারেন। যেমন- নিজের লেখা E-Book, PowerPoint Template, ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেসের Premium Template ইত্যাদি। জিনিস বিক্রি করার জন্য শুধু আপনাকে আপনার ব্লগে একটি সাধারন Shopping Cart যুক্ত করতে হবে। Shopify ব্যবহার করে আপনি যে কোন ধরনের ব্লগে এই Shopping Cart যুক্ত করতে পারবেন। earn-online-selling-own-staffs-blogging

৪) নিজের পরামর্শ প্রদান করা ব্লগ যে শুধুই নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার মাধ্যম, তা নয়। ব্লগের মাধ্যমে আপনি যদিও আপনার অভিজ্ঞতা সবার সামনে তুলে ধরছেন শুধু তাই নয়, আপনি ইচ্ছা করলে এই অভিজ্ঞতা আপনি আপনার ব্লগের মাধ্যমে কারো কাছে বিক্রিও করতে পারবেন। অনেক ব্লগারই বর্তমানে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ারের মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করছেন। Ramit Sethi এবং Marcus Sheridan তাদের মধ্যে অন্যতম যারা নিজের অভিজ্ঞতা এবং কৌশল অন্যদের সাথে শেয়ার করার জন্য টাকা নিয়ে থাকেন। এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করে টাকা আয় করার ব্যাবসাকে ইংরাজীতে Consultancy Business বলা হয়। আপনিও আপনার ব্লগের মাধ্যমে নিজের Consultancy Business শুরু করতে পারেন। এতে আপনার টাকা যেমন আয় হবে তেমনি একই সাথে আপনার সময়ও সাশ্রয় হবে। earn-online-using-consultancy-business-blogging

৫) Paid Speaking Event গুলিতে অংশ নেওয়া ইউটিউবে সার্চ দিলে Shoutmeloud এর প্রতিষ্ঠাতা Harsh Agrawal এর অনেক ভিডিও পাবেন যেখানে দেখতে পাবেন তিনি স্টেজে উঠে

 

অনেক লোকের সামনে ব্লগ সম্বন্ধে অনেক কিছু বলছেন স্কুলে ক্লাস নেওয়ার মত, এগুলোকে Paid Speaking Event বলা হয়। এর মাধ্যমেও টাকা আয় করা যায়। কিন্তু এটা করতে হলে আপনার নিশ সম্বন্ধে আপনার অনেক জ্ঞ্যান থাকতে হবে আর অনেক মানুষের সামনে কথা বলার ক্ষমতা থাকতে হবে। AllConference এ এধরনের ইভেন্ট সম্পর্কে জানতে পারবেন। earn-online-paid-speaking-blogging এদের মধ্যে কোন কৌশল আপনার জন্য কাজ করছে? এদের মধ্যে কোনটি আপনি ট্রাই করে দেখতে চান? এসব টিউমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানাতে ভুলবেন না।
অ্যাডসেন্স এর বিকল্প ৪০ টি অ্যাড সাইট


আসসালামু ওয়ালাইকুম”,

আজ আমি বলব ওয়েবসাইট থেকে আয়ের একটি পথ নিয়ে অর্থাৎ সাইটে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করার মাধ্যমে আয় করার বিষয়ে। সাইটে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করার সবচেয়ে বড় ও সর্বচ্চ হারে আয়ের মাধ্যম হল গুগল এর অ্যাডসেন্স। কিন্তু গুগল অ্যাডসেন্স এর অনেক নিয়ম ও শর্ত থাকার কারনে অনেক সাইট আছে যা এরা অ্যাপ্রুভ বা গ্রহন করেনা। যেমন ঃ অনেক বেশি ভিজিটর লাগে, সর্বচ্চ মানের বা ভাল কোয়ালিটির টিউন বা কন্টেন্ট প্রয়োজন হয় এই রকম আরও অনেক শর্ত আছে। যেগুলো আমাদের সবার পক্ষে মানা সম্ভব হয়না বা ওই মানের সাইট তৈরি করতে পারিনা তাদের জন্য আজ আমি সংগ্রহ করেছি ৪০ টি গুগল অ্যাডসেন্স এর বিকল্প।

এই সাইট গুলোতে নিয়ম ও শর্ত অনেক সহজ, দুর্বল মানের সাইট ও কম ভিজিটর দিয়েও আপনারা আয় করতে পারবেন। এর মধ্যে কিছু সাইট আছে খুব কম ভিজিটর হলেও চলে আবার কিছু আছে যা অ্যাকাউন্ট খুলে ওয়েবসাইট যুক্ত করার সাথেই অ্যাপ্রুভ হয় এর পর সুধু ওদের সোর্সকোড ওয়েবসাইট এ যুক্ত করেলেই অ্যাড শো বা বিজ্ঞাপন প্রদর্শন শুরু করে। তো চলুন শুরু করি।



গুগল অ্যাডসেন্স এর ৪০ টি বিকল্পঃ

১। Revenuehits (আমার প্রিয়) (কম বা বেশি ভিজিটর উভয় সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০। আলেক্সা- ১,৯৩৫

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, পাইওনিয়ার, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৩০$ (পেপাল, পাইওনিয়ার)। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, ইসিপিএম, সিপিএ, ইসিপিএ, সিপিসি

২। Propeller Ads (আমার প্রিয়) (কম বা বেশি ভিজিটর উভয় সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৫,৮১৬

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পাইওনিয়ার ক্রেডিটকার্ড ও ব্যাংক, ওয়্যার ট্রান্সফার, ওয়েবমানি, ইপেমেন্ট, ইপেস, প্রিপেইড কার্ড

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০০$ (পাইওনিয়ার ক্রেডিটকার্ড ও ব্যাংক, ওয়েবমানি, ইপেমেন্ট, ইপেস, প্রিপেইড কার্ড)।

৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, সিপিএ, সিপিআই, সিপিসি, পিপিসি


৩। BidVertiser (আমার প্রিয়)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৫ অ্যালেক্সা- ৩,২৫২

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেঁজা, পেপাল, চেক, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০$ (পেঁজা, পেপাল)। ১০০$ চেক। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার আয়ের ধরণঃ সিপিসি, পিপিসি

৪। Adonly (আমার প্রিয়)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০ অ্যালেক্সা- ৯,৪৭৪

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেঁজা, পেপাল, পাইওনিয়ার ক্রেডিটকার্ড ও ব্যাংক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০$ (পেঁজা, পেপাল)। ২০$ পাইওনিয়ার ক্রেডিটকার্ড ও ব্যাংক

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, সিপিএ, সিপিআই, সিপিসি

৫। Yllix (কম ভিজিটর হয় এমন সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৫ অ্যালেক্সা- ৬,৯২৫

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০$ পেপাল। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিএ, সিপিসি, ইসিপিএম

৬। PopAds (কম ভিজিটর হয় এমন সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৩ অ্যালেক্সা- ৮৮

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেঁজা, পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫$ (পেঁজা, পেপাল)। ১০০$ চেক। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, পপ আন্ডার

৭। পপক্যাশ (কম ভিজিটর হয় এমন সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ১ অ্যালেক্সা- ২২২

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেঁজা, পেপাল, পেক্সাম

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০$ (পেঁজা, পেপাল, পেক্সাম) আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, পিপিভি, পপ আন্ডার

৮। Popmyads (কম ভিজিটর হয় এমন সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০ অ্যালেক্সা- ১৪৭৮

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেঁজা, পেপাল

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫$ (পেঁজা, পেপাল) আয়ের ধরণঃ সিপিএম, পপ আন্ডার, পিপিভি

৯। CPX24 (কম ভিজিটর হয় এমন সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ২ অ্যালেক্সা- ৪৪,৯৮৪

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেঁজা, পেপাল, ওয়েবমানি, স্ক্রিল, পেক্সাম, ওকেপে, বিটকয়েন, ব্যাংক ওয়্যার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ০.৫$ (পেঁজা, পেপাল, স্ক্রিল, পেক্সাম, ওকেপে, বিটকয়েন)। ১০০$ (ওয়েবমানি, ব্যাংক ওয়্যার)

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, পপ আন্ডার

১০। Adsoid (গুগল অ্যাডসেন্স ও মাইক্রোসফট অ্যাডভ্যাটাইজিং এর অ্যাড ও দেয়)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০ অ্যালেক্সা- ১২২,৮৪১

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ২০$ পেপাল এ ২০ দিন পর পর

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিসি


১১। VigLink (কম ভিজিটর হয় এমন সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৬ অ্যালেক্সা- ৬,০৯৫

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ কোনও সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রা নাই যেকোনো

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিসি, পপ আন্ডার

১২। CPMoz (কম ভিজিটর হয় এমন সাইটের জন্য ভাল)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০ অ্যালেক্সা- ৫৮,২৮৩

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫$ আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি

১৩। Superlinks


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৩ অ্যালেক্সা- ১৩২,১৫০

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, পাইওনিয়ার, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০০$ (পেপাল, পাইওনিয়ার)। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিসি

১৪। Chitika (বেশি ভিজিটর প্রয়োজন)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৫ অ্যালেক্সা- ১১,৬২৪

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০$ পেপাল। ৫০$ চেক আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিসি

১৫। Media.net (ইয়াহু ও বিং Contextual Ads) (অনেক বেশি ভিজিটর প্রয়োজন)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪। অ্যালেক্সা- ৯,৮১৮

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০০$ পেপাল। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার আয়ের ধরণঃ সিপিসি, সিপিএম

১৬। Clicksor (বেশি ভিজিটর প্রয়োজন)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৬,৩৬৩

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$ (পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার, চেক)। ১০০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, সিপিআই, সিপিসি

১৭। Sovrn


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০ অ্যালেক্সা- ২৮,৬১০

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১০$ পেপাল। ৫০$ চেক আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিসি

১৮।BuySellAds (অনেক বেশি ভিজিটর প্রয়োজন সাথে সাইট থেকে বিক্রির পরিমাণ বেশি হতে হবে)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৬ অ্যালেক্সা- ৮,১৩৫

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ২০$ পেপাল। ৫০$ চেক। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিএ, পিপিএস


১৯। Beacon Ads


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ২৯২,১৫৩

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ২০$ পেপাল। ৫০$ চেক আয়ের ধরণঃ সিপিএম, পিপিএস

২০। BlogAds


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৭ অ্যালেক্সা- ৯২,১৯২

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৭৫$ পেপাল। ৭৫০$ (ওয়্যার ট্রান্সফার, চেক)

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, পিপিএস

২১। Matomy SEO


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০ অ্যালেক্সা- ৪৮,৭১১

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, পাইওনিয়ার, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ কোনও সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রা নাই যেকোনো (পেপাল, পাইওনিয়ার)। ২৫$ চেক

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, সিপিএ, সিপিআই, সিপিসি, পিপিসি

২২। LinkWorth


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৮২,৭২৫

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক, ওয়্যার ট্রান্সফার, ইএফটি (সুধু আমেরিকা)

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ২৫$ পেপাল। ১০০$ (চেক, ওয়্যার ট্রান্সফার, ইএফটি)

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, টেক্সট লিঙ্ক অ্যাড

২৩। Adbeans


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ১৩২,৮৮৮

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ২০ ইংল্যান্ডের পাউন্ড

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, টেক্সট লিঙ্ক অ্যাড

২৪। TNX.net


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৩ অ্যালেক্সা- ২১৫,৮৬১

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার, ওয়েবমানি, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ অজানা

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, টেক্সট লিঙ্ক অ্যাড

২৫। Blogsvertise


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৯৭,২০১

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ কোনও সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রা নাই যেকোনো

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, টেক্সট লিঙ্ক অ্যাড


২৬। Infolinks


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৫ অ্যালেক্সা- ৪,০৪৪

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, পাইওনিয়ার, ই-চেক, এসিএইচ, ব্যাংক ওয়্যার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$ (পেপাল, পাইওনিয়ার, ই-চেক, এসিএইচ)। ১০০$ ব্যাংক ওয়্যার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, টেক্সট লিঙ্ক অ্যাড

২৭। InfinityAds


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৩ অ্যালেক্সা- ৫৫,০২৯

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫$ পেপাল। ১০০$ চেক। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি

২৮। Amobee (পূর্বের নাম কনট্রা)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৫ অ্যালেক্সা- ৯৬,২৫৫

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$ পেপাল। ১০০$ চেক। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিসি


২৯। GumGum


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৫৩,৭৭৯

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$ পেপাল। ১০০$ চেক আয়ের ধরণঃ সিপিএম

৩০। Technorati Media


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০ অ্যালেক্সা- ১৫,৯০৪

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$ পেপাল। ১০০$ চেক আয়ের ধরণঃ সিপিএম

৩১। Yes Advertising


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৬০,৮৪৬

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$ (পেপাল,চেক)। ১০০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার আয়ের ধরণঃ সিপিএম

৩২। RhythmOne


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ০ অ্যালেক্সা- ৭৭,৪৩০

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক, ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (সুধু আমেরিকা)

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$

আয়ের ধরণঃ সিপিএম

৩৩। Vibrant Media


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৫ অ্যালেক্সা- ৫৯৫,৫৩৭

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক, ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (সুধু আমেরিকা)

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$ আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিসি

৩৪। Gorilla Nation


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৫,৮১৬

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ অজানা সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ অজানা

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিএ, সিপিসি, আরওএন

৩৫। Exponential(পূর্বের নাম ট্রিবাল ফিউসন)


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ২ অ্যালেক্সা- ২৭,৯৬৪

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ অজানা সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ অজানা আয়ের ধরণঃ সিপিএম, ইসিপিএম

৩৬। Link Worth


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৮২,৭২৫

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ২৫$ পেপাল। ১০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার আয়ের ধরণঃ সিপিএম, টেক্সট লিঙ্ক অ্যাড


৩৭। Intellilinks


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৬৯৬,১৩৪

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল ৩০ দিন পরপর আয়ের ধরণঃ সিপিএম, টেক্সট লিঙ্ক অ্যাড

৩৮। Qadabra


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৪ অ্যালেক্সা- ৪৯,০০৭

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, পাইওনিয়ার ক্রেডিটকার্ড ও ব্যাংক, ওয়্যার ট্রান্সফার

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ১$ পেপাল। ২০$ পাইওনিয়ার ক্রেডিটকার্ড ও ব্যাংক। ৫০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, ডিসপ্লে


৩৯। Adengage


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৩ অ্যালেক্সা- ৫৪,৯১১

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ পেপাল, চেক, ওয়্যার ট্রান্সফার, স্ক্রিল, পেক্সাম, Adengage অ্যাকাউন্ট ক্রেডিট

সর্বনিম্ন পেমেন্ট এর মাত্রাঃ ৫০$ (পেপাল, স্ক্রিল, পেক্সাম)। চেক আমেরিকায় ৫০$, আমেরিকা ছাড়া ২৫০$। ১০০০$ ওয়্যার ট্রান্সফার

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিসি

৪০। Yandex Advertising Network


ওয়েবসাইট এর রাঙ্কঃ গুগল- ৫ অ্যালেক্সা- ২,২২১

পেমেন্ট পাবেন যেভাবেঃ ২৫ দিন পর পর ১৫০$ অথবা ১০০ ইউরো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে

আয়ের ধরণঃ সিপিএম, সিপিভি, সিপিসি

আজ এই পর্যন্তই। আল্লাহ্‌র রহমতে সবাই ভাল থাকবেন।