Tuesday, April 9, 2019

[Pubg সহ সকল High graphic Game খেলুন HD 2GB/4GB Ram Pc/Laptop তে। Top 4 Android operating System For Pc laptop (Game lover DON’T Miss)
হ্যালো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন |
এই পোস্ট টি দেখার পর আপনারা আরো অনেক ভালো হয়ে যাবে কারণ এই পোস্ট টি দেখার পর আপনারা আপনাদের পিসি তে 1/2/3/4 GB Ram Pubg মত যে কোনো High Graphic Game android game and apps Run করে Full HD Graphic তে খেলতে পারবেন lag ছাড়া without any Graphic card
বন্ধুরা আজকে আমার পোস্টটি টাইটেল দেখে আপনারা হয়তো কিছু বুঝতে পারবেন না তো বন্ধুরা মনোযোগ দিয়ে পোষ্টটা পড়ুন তাহলে আপনারা বুঝতে পারবেন |

১.Android Operating system কি?

বন্ধুরা এর উত্তর খুবই সহজ বর্তমান সময় আপনারা সবাই অ্যান্ড্রয়েড ফোন ইউজ করেন আপনাদের এন্ড্রয়েড ফোনের যে সিস্টেম টা ইন্সটল করা থাকে এটাকে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বলে.
তো বন্ধুরা এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে অনেকগুলো ভার্সন ও নাম রয়েছে যেমন
1 Jelybin Version 4.2.2
2 KitKat Version 4.4.2
3 Lollipop Version 5.0
4 Marshmallow Version 6.0
5 Nougat version 7.0
6.Oreo Version 8.0
7 Pie Version 9.0
বন্ধুরা আশা করি আপনারা সবাই এই নাম জানেন.
বন্ধুরা চলুন এবার আসি মূল বিষয়ে
তো ওপরে যে গুলো Version কথা বলছি আপনরা এই Android Operating System আপনাদের PC/Laptop Installing করতে পারবেন এবং Android মতো ব্যবহার করতে পারবেন।
আপনার সবাই Bluestuck মতো Emulator ব্যাবহার করে থাকেন। যখন Bluestuck Run অবস্থায় থাকে তখন আপনার Window এক সাথে চলে এর ফলে আপনার কমপিউটার Slow হয়ে যায় কাজ করে না কিন্তু এই অপারেটিং সিস্টেম গুলো ঠিক এন্ড্রয়েড ফোনের মত Dual Boot আপনারা ইচ্ছা করলে উইন্ডোজ ইউজ করতে পারবেন অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবেন তো বন্ধুরা এটি শুধুমাত্র এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলবে এর ফলে আপনার পিসিতে কোন প্রকার স্লো হবে না খুব ফাস্ট কাজ করবে

Android Operating System এর সুবিধা কি??

1.Pubg মত যে কোনো High Graphic Game android game and apps Run করে Full HD Graphic তে খেলতে পারবেন lag ছাড়া without any Graphic card
2. Android Phone এর মতো সব ধরনের সুযোগ সুবিধা ব্যাবহার করতে পারবেন ঠিক যেমন টা Android phone যা করতে পারেন
নিচে আমি Top 4 Android Operating system এর রিভিউ স্ক্রিনশট সহ দিয়ে দিলাম আপনারা নিচে থেকে দেখতে পারেন

1.Phoenix os

Requirements:
1. 4 GB up storage 
2. 2Gb+ Ram
3. BIOS=lagancy/UEFI Supported
Android Version : Nougat 7.1.1 [x86 project]

2. Prime Os

Requirements:
1. 4 GB up storage 
2. 2Gb+ Ram
3. BIOS=lagancy/UEFI Supported
Android Version : Nougat 7.1.1 [x86 project]

3. Remix OS

Requirements:
1. 4 GB up storage 
2. 2Gb+ Ram
3. BIOS=lagancy/UEFI Supported
Android Version : Nougat 7.1.1 [x86 project]

4. Bliss OS

Requirements:
1. 4 GB up storage 
2. 2Gb+ Ram
3. BIOS=lagancy/UEFI Supported
Android Version : pie 9.0.1 [x86 project]

Download Link:

Official Link:
5 Direct Link : Click Here

বন্ধুরা আপনারা যদি চান এইগুলো এন্ড্রয়েড সিস্টেম আপনাদের পিসি এবং ল্যাপটপ এ কিভাবে ইন্সটল করবেন অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন আমি পরবর্তীতে টিউটরিয়ালে এই এন্ড্রয়েড সিস্টেম গুলোর উপর পোস্ট লিখব এবং আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনারা এটা সঠিক ভাবে আপনাদের পিসিতে ইন্সটল করবেন এবং এর কি কি সেটিং করতে হয় সব আমি আপনাদের বলে দিব আর
ফেসবুক এ এবার Single নাম দিয়ে আইডি খুলুন মাত্র ৫ মিনিট এ।সবাই পারবেন। facebook single name
সবাই কেমন আছেন?আশা করি সবাই ভালো
আছেন।আর আপনাদের দোয়ায়
আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি।
  • তো আজকে আমি দেখাবো কিভাবে আপনারা ফেসবুক এ  সিঙ্গেল নাম দিয়ে Id খুলবেন।Single নাম বলতে আমরা যখন কোন আইডি খুলতে যাই বা আইডি নাম চেঞ্জ কর‍তে চাই তখন আমাদের 1st Name, Middle Name,last name এই তিনটি ঘর দেখতে পাই।আমরা যদি First Name আর Last Name দুটোই ব্যাবহার না করি তাহলে আমাদের নাম চেঞ্জ করতে দিবে না।আর সিঙ্গেল নেম বলতে শুধু 1st Name এ নাম দিয়ে আইডি খুলা।যেমন ধরুন:Nirjon, Rana, Rasel
শুধু মাত্র একটি নাম দিয়ে আইডি খুলা হলে তাকে সিঙ্গেল নেম বলে।আশা করি বুঝতে পেরেছেন তো অনেক কথা বললাম এবার কাজ এ চলে আছি।তো চলুন শুরু করি।সবাই Ss দেখে কাজ করবেন
এরপর Apps টি ওপেন করে Indonesia Country সিলেক্ট করুন।করে  Connect এ ক্লিক করুন
height=
 
এরপর Ok তে ক্লিক করুন
 
 
height=
 
এরপর যেকোনো Browser দিয়ে আপনার ফেসবুক এ লগিন করুন।এরপর Home পেজ এর একদম নিচে গিয়ে Language টি Indonesia করে দিন।
 
height=

  • তারপর নিচের মত কাজ করুন
height=
height=
  • এরপর আগের নাম গুলি কেটে দিন
height=
  • এবার আপনার ইচ্ছা মত যেকোনো single নাম দিন প্রথম ঘরে। আমি Rasel দিলাম। আপনারা ইচ্ছা মত দিয়েন
height=
  • এরপর আপনার আপনার Password চাইবে। ফাকা ঘরে Password দিয়ে নিচের মত ক্লিক করুন
height=

তো হয়ে গেলো আপনার Single নামের ফেসবুক আইডি।আশা করি বুঝতে পেয়েছেন।যদি কোন প্রকার ভূল হয়ে থাকে তাহলে মাফ করে দিবেন
এখন যে কারো Gmail Hack করুন খুব সহজে।একটি মাত্র link এর মাধ্যমে,বিস্তারিত পোস্ট এর ভিতরে।
আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা সোবাই কেমন আছেন??
আপনাদের সবার দোয়ায় আমিও ভালই আছি। কথা
না বাড়িয়ে চলুন কাজের কথায় আশি।
আজকের বিষয় : কারো GMAIL ID Hack করার জন্য না। বরং আপনাদের সর্তক করার জন্য এই পোস্ট। এই পোস্ট এর trick গুলো ভুল কাজে ব্যাবহার করবেননা। Gmail hack করার জন্য আপনাদের একটি website এ account কর‍তে হবে। account করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন। তারপরে এ account কিরুন।

Open করার পরে Desktop mod করে নিন তারপরে,

তারপর sing up এ ক্লিক করুন তারপর,

এই ফরম টা পুরন করুন টিক স্কিনসট এর মতো,
তারপরে আপনার gmail টা ভেরিফাই করে Login করে নিন।

login করার পরে এইরকম একটা পেজ so করবে আপনাদের সামনে। এইখান থেকে facebook,gmailআরো অনেক কিছু hack করতে পারবেন।gmail hack করার জন্য ২ নাম্বার পেজ এ জান তারপর দেখুন,

এইখান থেকে একটা link নিতে হবে। আপনারা english এ পাঠাতে চাইলে english ক্লিক করুন একটা link so করবে ওইডা copy করুন।

link copy করুন। তারপরে জার Gmail Hack করবেন তাকে বলেন এইটাতে Registration করলে 10$ পাবেন। তারপরে তাকে link টা share করুন।

তারপরে se open করার পরে নিছের স্কিনসট এর মতো আসবে,

এইখানে তার gmail password বসিয়ে singup করলে।

peg টা google এর মতো আসবে। সে জদি এইখানে তার Gmali password বসায় সাথে সাথে তার gmail hack। login করার পরে নিছের স্কিনসট এর মতো আসবে।

তার gmail hack হয়ে গেছে। সে আপনার link এ login করার সাথে সাথে আপনার মবাইলে বেল বেযে উঠবে।
তারপরে তার gmail password দেখার জন্য নিছের স্কিনসট লক্ষ করুন।

ক্লিক করুন।

তারপরে দেখুন,
দেখুন তার gmail r password so করছে। এই পোস্টটি দেয়ার
মূল উদ্দেশ্য হলো আপনি আর এই ফাদে পা দিবেন না। আর এই trick দিয়ে কারো ক্ষতি করবেননা। আজ আই পর্যন্তই খোদা হাফেজ সবাই ভালো থাকবেন।
[Fb Users Needed Post] অন্যের মোবাইল এ Save হওয়া password যেভাবে Remove করবেন ♦Without Change Password♦
আসসালামুআলাইকুম,
আমি অনেকদিন পর আপনাদের সাথে লিখেত বসছি |
আসাকরি সবার ভালো লাগবে।
আমরা অনেকে অন্যের মোবাইল এ fb pass ভুলে সেব করে থাকি । যে গুলুতে টিপ দিলে OUTO LOG IN হয়।
বা pass দেখায়
যেমন
So for Delet Pass Follow steps
Go to
SETTING AND PRIVACY

Security and Log in

Save Your Log in info

Remove Saved login Info crome and Android
Remove করে দেন বেস হয়ে গেল।
Any Problem Contract
ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটায় সময় সর্তক থাকুন ।
আস্সালামু আলাইকুম
Hello Friends সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।
ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটায় সময় সর্তক থাকুন ।

ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড ব্যবহার
করে কেনাকাটায় সুবিধাই হয়েছে বেশি। বিভিন্ন উপলক্ষে ছাড় যেমন পাওয়া যায়, তেমনি নগদ টাকা সব সময় সাথে না রাখা কিংবা মাস শেষে একসঙ্গে বিল পরিশোধের সুবিধাও অনেকে
প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। ব্যবহারের
কারণগুলো আলাদা হলেও সামগ্রিকভাবে ক্রেডিট কার্ড
ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে অপরাধীদের নজরও এখন ক্রেডিট কার্ডের দিকে। এ জন্য সচেতনতার বিকল্প নেই। সতর্ক থাকলে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি বা এর মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে।
https:// ছাড়া লেনদেন নয়
যেকোনো ওয়েবসাইটের মাধ্যমে
লেনদেন করার সময় খেয়াল রাখতে হবে, ওয়েবসাইটের ঠিকানার আগে সবুজ রঙে https:// লেখা আছে কি না। https:// লেখা না থাকলে সেই
ওয়েবসাইট থেকে তথ্য চুরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং এমন কোনো ওয়েবসাইটে লেনদেন করা উচিত নয়।

কেবল পরিচিত ওয়েবসাইট থেকে
অনলাইনে কেবল পরিচিত ওয়েবসাইট থেকেই কেনাকাটা করা উচিত। বিশেষ করে ই–মেইল বা মেসেঞ্জারে পাওয়া
নতুন কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা লিংক না খুলে সরাসরি ব্রাউজার থেকে ওয়েবসাইটের ঠিকানা টাইপ করে সেটি খোলা উচিত। বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া
লিংক অনেক ক্ষেত্রেই ফিশিং (যে
সাইটের মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়) বা নকল ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে, যেগুলো সাধারণত ওয়েবসাইটের তথ্য চুরির জন্য ব্যবহৃত হয়। পাবলিক প্লেস থেকে অনলাইন কেনাকাটা নয় সাইবার ক্যাফে, কম্পিউটার ল্যাব বা এমন কোনো কম্পিউটার থেকে কোনো ধরনের কেনাকাটা করা উচিত নয় যা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তি ব্যবহার করে থাকে। এই সব কম্পিউটার কেন্দ্রীয়ভাবে
পর্যবেক্ষণ করা হতে পারে। আবার
তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার মতো ক্ষতিকর কোনো সফটওয়্যার আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকতে পারে।

একইভাবে শপিং সেন্টার বা উন্মুক্ত স্থানের বিনা মূল্যের ওয়াই–ফাই থেকেও একই ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই ধরনের স্থানে অনলাইন লেনদেন এড়িয়ে যাওয়া উচিত। হালনাগাদ সফটওয়্যার ব্যক্তিগত কম্পিউটারের সব সফটওয়্যারের সাম্প্রতিকতম সংস্করণ ব্যবহার করা উচিত। পুরোনো সংস্করণের সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতা কাজে লাগিয়ে কম্পিউটারে রাখা তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে। ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরির অপর একটি বড় মাধ্যম হলো চোরাই
(পাইরেটেড) সফটওয়্যার ব্যবহার
করা। তাই সফটওয়্যার হালনাগাদের পাশাপাশি সেটির যেন আসল লাইসেন্স থাকে তা খেয়াল রাখা জরুরি। অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার করা কম্পিউটার ভাইরাস বা ক্ষতিকর প্রোগ্রামগুলো ব্যবহারকারীর নানা ধরনের ক্ষতি করতে পারে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীর
পাসওয়ার্ড কপি করে নেওয়া, ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার বহনকারী
সফটওয়্যারগুলো ভুল ও ক্ষতিকর
ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে কেনাকাটায় প্ররোচিত করা ও ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করে নেওয়ার মতো কাজ করে থাকে।
বাজারে সুনাম রয়েছে এমন অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার নির্বাচন করা উচিত। অনলাইনে বিজ্ঞাপন বা ই–মেইল লিংকের মাধ্যমে পাওয়া কোনো অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার
করা উচিত না।

টাকার পরিমাণ মিলিয়ে নেওয়া
যে পণ্য বা সেবার জন্য পরিশোধ করা প্রয়োজন, ঠিক সেই নির্দিষ্ট পরিমাণ অঙ্ক ঠিক আছে কি না তা মিলিয়ে নেওয়া উচিত। পাশাপাশি টাকা পরিশোধ করার যে নিশ্চিতকরণ ই–মেইল এবং এসএমএস পেয়েছেন সেটির
সঙ্গেও মূল্য পরিশোধের পরিমাণ একই আছে কি না তা দেখা উচিত। বর্তমানে দেশের প্রতিটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার তথ্য গ্রাহককে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়।
একাধিকবার পাঞ্চ করা পয়েন্ট অব সেল মেশিনের মাধ্যমে
কখনো টাকা প্রদানের সময়
নেটওয়ার্ক বা অন্যান্য সমস্যার
কারণে যদি লেনদেন সম্পন্ন না হয়, তবে পুনরায় চেষ্টা করার আগে ব্যাংকে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া উচিত। কখনো যদি একই লেনদেনের জন্য একাধিকবার টাকা প্রদানের
ঘটনা হয়, তবে সঙ্গে সঙ্গেই উচিত
ক্রেডিট কার্ডের ব্যাংকের সঙ্গে
যোগাযোগ করা। চিপ সংযুক্ত কার্ড ব্যবহার করা বর্তমানে যে প্রতিষ্ঠানের ক্রেডিট কার্ডই ব্যবহার করা হোক না কেন,
সেই কার্ডটি যদি ইলেকট্রনিক চিপ
সংযুক্ত না হয়ে থাকে তবে সেই
প্রতিষ্ঠান থেকে চিপযুক্ত নতুন
কার্ডের জন্য আবেদন করা যেতে
পারে। চিপযুক্ত কার্ডগুলো আগের
কার্ডগুলো থেকে অনেক গুণ বেশি
নিরাপদ ।

অনলাইনে বা অফলাইনে ক্রেডিট
কার্ডের মাধ্যমে যেখানেই টাকা
প্রদান করা হোক না কেন, মূল
সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে এবং প্রতি সময়ই ক্রেডিট কার্ডের বিল যাচাই করে নেওয়া উচিত। কখনো কোনো অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে ক্রেডিট কার্ডটি যে ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এন্ড ট্রাবলশুটিং। Computer hardware details by techspot24.blogspot.com
hardware_computer
সিস্টেম ইউনিটের হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট চিহ্নিত করণ একটি PC System এ সাধারণত নিম্নলিখিত অংশসমূহ থাকেঃ
1. Input Unit
2. Out put Unit,
3. Display Unit
4. System Unit

Input Unit
প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে একটি কিবোর্ড এবং একটি মাউস যুক্ত থাকে যা ইনপুট ইউনিট হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও Light pen, Scanner, Digitizer ইত্যাদি।
Input হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
Out put Unit.
প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে আউটপুট ইউনিট হিসাবে বিভিন্ন ধরণের Printer (ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার, ইঙ্ক জেট প্রিন্টার, লেজার প্রিনটার) ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও Map
বা Drawing design ইত্যাদি Print করার জন্য Plotter ব্যবহার করা হয়।
Display Unit
প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে একটি Monitor, Display Unit হিসাবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ICT মনিটরের পাশাপাশি LCD মনিটর ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
System Unit
Computer এ বক্সের মত যে অংশটি থাকে সেটাই System Unit. System Unit এর ভিতরে সাধারণত নিম্নলিখিত অংশসমূহ থাকে-
(১) মাদার বোর্ড
(২) এক্সপানসন স্লট
(৩) Key Board Connector
(৪) প্রসেসর
(৫) PS/2 Mouse connector
(৬) ম্যাথ কো প্রসেসর
(৭) Serial Port
(৮) র্যাম
(৯) Parallel Port
(১০) রম
(১১) USB Port
(১২) DIP সুইচ
(১৩) রিচার্জ এবল ব্যাটারী ।
computer_hardware
মাদার বোর্ড।
মাদারবোর্ড হচেছ কম্পিউটারের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ একটি সার্কিট বোর্ড যেখানে অনেকগুলো ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রাংশ স্থাপন করা থাকে এবং কম্পিউটারে ব্যবহৃত
যাবতীয় কার্যক্রমের সহযোগী হিসেবে প্রত্যেকটি যন্ত্রাংশ কোন না কোনভাবে মাদার বোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে।
প্রসেসর
Processor কম্পিউটারের একটি প্রধান ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ। Processor কে কম্পিউটার এর Brain হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয় । Processor এর গতির। উপর কম্পিউটারের কাজের গতি নির্ভর করে।
ম্যাথ কো প্রসেসরঃ
Math-co-Processor টি Processor এর সহযোগী হিসেবে কাজ করার সময় কম্পিউটার এর প্রসেসিং গতিকে বাড়িয়ে দেয়। তবে উল্লেখ্য যে, বর্তমানে যে প্রসেসরগুলো ব্যবহৃত হয় তার সাথে Co-Processor Built in থাকে। সেক্ষেত্রে আলাদা Math-co-Pressor ব্যবহার করা হয় না।
RAM:
প্রক্রিয়াকালীন সময় কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য যে ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয় তাকে RAM ৰলে । RAM এক ধরণের Temporary Storage Device যা Primary memory হিসেবে পরিচিত। RAM কে Read/Write type এর
memory ও বলা চলে।
ROM:
এক ধরনের Permanent storage বা Primary memory হিসেবে পরিচিত। BIOS এর Instruction গুলি Manufacturing এর সময় ROM-এ Store করে দেয়া থাকে যাহা Computer On করার সাথে সাথে Screen & Display করে ।
BIOS এর মধ্যে একটি Self test Program (Power on Self text) থাকে যাহা Computer booting এর সময় Computer এবং connected peripreral গুলি check করে থাকে। উল্লেখ্য যে ইহা Read only.
রিচার্জএল ব্যাটারীঃ
Motherboard এ একটি 3:5 বা 3 volt এর ব্যাটরী কী লাগানো থাকে। এই Battery টি Computer off অবস্থায় CMOS Chip এ Power সরবরাহ করে থাকে।
DiP সুইচঃ
DIP সইচ শুধুমাত্র XT Computer এ থাকে। এটি ৮ টি ON/OFF Switch
মিষ্ট একটি Switch যেহেতু XT Computer এ কোন Setup utility
Program থাকে না তাই এই ক্ষেত্রে Switch গুলি এর OFF/ON মাধ্যমে
Computer Configuration ঠিক করা হয়।
Expansion Slot:
G Slot  গুলের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্ড (সাউন্ড কার্ড, টিভি কার্ড, মডেম, ভিজিএ কার্ড) সংযুক্ত করা হয়। যেমন-
ISA Slot- 16 bit Data Transmission
PCI Slot- 32 bit Data Transmission
AGP Slot- 64 bit Data Transmission
ক্লক জেনারেটরঃ
মাদারবোর্ডে বসানো ছোট ছোট IC ৰা Chip যেমন প্রসেসর, ম্যাথ কো প্রসেসর, প্রেগ্রামেবল ইন্টারাপ্ট কন্ট্রোলার, প্রোগ্রামেবল পেরিফেরালস ইন্টারফেস ইত্যাদি এর পক্ষে information Processing সম্ভব কারণ Clock generator Continuously বিভিন্ন রকম Clock signal motherboard এর মাধ্যমে পাঠায়।
পি আই টি (প্রোগ্রামেবল ইন্টারভ্যাল টাইমার):
পি আই টি বিভিন্ন ধরনের ক্লক পালস গ্রহন করে Clock Control এবং dynamic RAM রিফ্রেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
পি পি আই (প্রোগ্রামেবল পেরিফেরাল ইন্টারফেস)
প্রোগ্রামেবল পেরিফেরাল ইন্টারফেস এর তিনটি ৪ bit port রয়েছে। প্রতিটি port ইনপুট অথবা আউটপুট হিসাবে Configure করা যায়। Port A, Keyborad কে read করে Port B Progarmable Interal timer কে cnable করে Port C, 8253 timer output channel read করে।
পি আই সি (প্রোগ্রামেবল ইন্টারাপ্ট কন্ট্রোলার)
একটি কম্পিউটারের প্রত্যেক বার কোন না কোন পেরিফেরাল এর সাথে কমিউনিকেট করার প্রয়োজন হয়। কম্পিউটারের সকল ইনপুট এবং আউটপুট ফাংশন সমূহ ইন্টারাপ্ট সিগন্যাল দ্বারা হয়। ঐ Peripheral, Interrupt Controller কে একটি Signal পাঠিয়ে CPU কে ইন্টারাপ্ট করতে Request করে ।
মাদার বোর্ড এক্সটারনাল জাম্পার সেটিং
কম্পিউটার কেসিং এর বাহিরের দিকে কতকগুলি Switch এবং LED থাকে যাদেরকে Jumper এর Motherboard সাহায্যে এর সাথে Connect করা হয়।
USB Port:
মাদারবোর্ড সাধারণত ৩-৪টি ৪ পিনের USB Port যুক্ত থাকে। ইহাতে সাধারণত প্রিন্টার, স্ক্যানার, ক্যামেরা, পেন ড্রাইভ ইত্যাদি যুক্ত করা হয়।
Keyboard connector:
Serial (DIN) এবং PS/2 (MINI Din) নামে দুই রকমের Keyboard connector ব্যবহার করা হয়।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে হাজার হাজার টাকা আয় করুন [সম্পুর্ণ গাইড লাইন] Make money by digital marketing
অর্থ দিয়ে কিছু শিখে,যে সমস্যার সমাধান করা যায় সেখানে try করে জীবনকে বিপদাপন্ন করোনা।শিখো।বেঁচে থাকলে অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারবা

ডিজিটাল মারকেটিং বলতে বুঝায় আধুনিক পদ্ধতি তে পণ্য বা সেবার মারকেটিং করা।

ধরুন একজন ভাল ডাক্তার তার সুনাম আছে রোগীদের মুখে মুখে সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। এভাবে তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডাক্তারের সেবার মারকেটিং হচ্ছে মানুষের মুখে মুখে। এটা পুরাতন পদ্ধতি তে মারকেটিং।
এবার ডিজিটাল মারকেটিং এ আসি। ডাক্তার তার যোগ্যতা সহ সুন্দর একটি সাইট তৈরি করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইট তার প্রোফাইল আছে। সেখানে তিনি বিভিন্ন রোগ এবং তার প্রতিকার নিয়ে লেখালিখি করেন। রোগীরা উপকৃত হলে ভাল feedback দেন। এভাবে তার সেবা শুধু একজন দুইজন না হাজার হাজার মানুষের নিকট পৌছে যাচ্ছে। তিনি ডিজিটাল ভাবে তার সেবার মারকেটিং করছেন। **********************
আপনি ভাবছেন ডাক্তার রা আবার এই সব করে নাকি? তাদের কি এই সময় আছে? = আপনার নিকট এমন মনে হওয়া টা স্বাভাবিক ব্যাপার। কারন আমাদের দেশে ডিজিটাল মারকেটিং আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আপনি কষ্ট করে গুগলে একটু সার্চ দেন (heart specialist in London) দেখবেন লন্ডনের যত হার্ট স্পেসালিস্ট ডাক্তার আছে সবার তথ্য পাবেন। কোন কোন দিন তারা রোগী দেখে তার সময় ও উল্লেখ আছে।
**************************
আপনি ভাল আর্টিকেল লিখতে পারেন। আপনার দক্ষতা যদি মানুষ না জানে তাহলে আপনি কিভাবে আপনার সেবা দিবেন অন্যকে। আপনি বিভিন্ন সাইট এ লেখালেখি করেন মানুষ লেখা পড়ে ভাল লাগলে আপনাকে লেখার জন্য অফার করবে। আপনি যে পদ্ধতি তে আপনার সেবা অন্যের নিকট পৌছে দিচ্ছেন এটাই ডিজিটাল মারকেটিং।
***************************
চীনের আলি বাবা নাম আমরা সবাই শুনেছি। আমি যতদুর জানি বাংলাদেশের একজনই আলী বাবা তে চাকরি করে (এই মুহুর্তে নাম মনে পড়ছে না) জানেন তিনি কিভাবে চাকরি টা পেয়েছিলেন? উনার প্রোফাইল দেখে আলী বাবা থেকে তাকে জব অফার করা হয়েছিল। এবং এক দুই দিন নয় 3 মাস ধরে ভাইবা নিয়েছিল আলী বাবা কতৃপক্ষ ।তার বাসায় বেড়াতে আসার ছলে ও ভাইবা নিয়েছিল। উনার কাজ কি জানেন আমরা যে UC browser ব্যবহার করি। উনি তার দায়িত্বে আছেন। উনি উনার সেবা টাকে ডিজিটাল ভাবে কিন্তু আলী বাবা পর্যন্ত পৌছে দিয়েছিলেন।
digital marketing
আপনি একজন ছাত্র/ছাত্রী। ছাত্রাবস্থায় চাচ্ছেন অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রডাক্ট সেল কিংবা রিসেল করতে। এমনো হতে পারে আপনি নতুন বিজনেস আইডিয়া তৈরি করেছেন কিন্তু এটার ব্যপ্তি ঘটানো নিয়ে সংশয়ে। আপনি হয়তো কোনো স্টার্ট-আপ বিজনেস ইতিমধ্যে করছেন কিংবা কোনো বিউটি পার্লার, বুটিকস হাউজ, বিভিন্ন স্টেশনারী শপ, ফুড বিজনেস, রিয়েল এস্টেট অথবা আরো অন্যান্য ব্যবসার সাথে জড়িত। আপনার ব্যবসা ভাল চলছে কিন্তু আপনি আরো ব্যবসার প্রসার চাচ্ছেন। বুঝতে পারছেন না কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটীং কাজ করে। লেখাটি আপনার জন্য।
বর্তমানে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশে খুব সহজেই কোনো পণ্যের প্রসার কিংবা ব্যবসার প্রসার ঘটাতে পারি ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। আজকাল আমরা একটি শব্দ শুনে থাকি আর তা হচ্ছে “ডিজিটাল মার্কেটিং” প্রথমেই আমদের জানা দরকার এই ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি। সরল ভাষায়, ডিজিটাল মার্কেটিং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার এক বা একাধিক ফর্ম এর মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচার করাকে বুঝায়। টিভি,রেডিও,মোবাইল এবং ইন্টারনেট – এ সকল মাধ্যমে আমরা “ডিজিটাল মার্কেটিং” করে থাকি। ডিজিটাল মিডিয়া বলতে প্রধানত ই-মেইল, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব সাইট ও সামাজিক মিডিয়া কে বুঝায়। যদিও টিভি ও রেডিও ডিজিটাল মিডিয়া খুবই জনপ্রিয় মাধ্যম।
কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য আমরা বিভিন্নভমার্কেটিং করি যেমনঃ লিফলেট, পোস্টার ইত্যাদি। বর্তমানে ডিজিটাল যুগ। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সবচাইতে বেশি মানুষের কাছে পণ্যের প্রচার করা যায় এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়েই সবচাইতে বেশি ব্যবসায়িক সফলতা পাওয়া যায়। আজকে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কিছু কৌশল নিয়ে এখানে আলোচনা করব –
 নিজের ব্যবসার সমগ্র সেবা সম্পর্কিত বিষয়াবলি কাস্টমারদের জ্ঞাতার্থে ওয়েবসাইট তৈরি করুনযদি আপনি আপনার ব্রান্ডের প্রসার চান, তাহলে প্রথম কাজ হিসেবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন, যেখানে আপনার ব্যবসার সকল তথ্য পাওয়া যাবেএক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল– আপনার ব্যবসার পরিচিতির জন্য ‍ওয়েবসাইট তৈরি করুন। এমনভাবে ওয়েবসাইটটি তৈরি করুন যেন প্রফেসনাল লুক থাকে।
– ভিজিটরদের জন্য সহজভাবে ব্যবহার উপযোগী ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে।
– নিয়মিত সঠিক তথ্য দিয়ে ওয়েবসাইটটি সবসময় আপডেটেড রাখুন।
– কোম্পানীর কাজের মান অনুযায়ী ডিজাইন সুন্দর করুন।
digital marketing 1
– এমনভাবে ওয়েবসাইটের কনটেন্ট তৈরি করুন যাতে ক্লায়েন্ট আপনার পণ্যের ব্যপারে আকর্ষণবোধ করে।
– প্রতিটি পেজে “call to action” যুক্ত করুন যাতে আপনার ভিজিটরকে পণ্যটি কিনতে কিংবা কিনার ব্যপারে যোগাযোগ করতে উৎসাহবোধ করে।
– ওয়েবসাইটে ভিজিটর ট্রেকিং করার জন্য যেকোন টুলস যেমনঃ গুগল এ্যানালিটিকস ব্যবহার করুন যাতে ভিজিটরদের গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়
– ওয়েবসাইট তৈরিতে এমন টেকনোলজী ব্যবহার করুন যাতে তা ভিজিটর এবং সার্চইঞ্জিন উভয়ের জনসোশ্যাল মিডিয়া সাইটের ব্যবহারঃবর্তমানে সবচেয়ে শক্তিশালী ডিজিটাল মাধ্যম হচ্ছে সোস্যিয়াল মিডীয়ার ব্যবহার। দৈনিক পত্রিকাতে যা ছাপা হবে কাল তা তৎক্ষণাৎ পৌছে যাচ্ছে সোসিয়াল মিডীয়ার মাধ্যমে।  ব্যবসার প্রসারের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষমতা বলে শেষ করা যাবেনা। আপনার ব্যবসায়িক পণ্যের প্রচারের জন্য এর চাইতে ভাল জায়গা, এখনও নাই।
এক্ষেত্রে কিছু প্রয়োজনীয় কৌশ– একটি এ্যাক্টিভ কমিউনিটি তৈরিতে নজর দিনঃ এমনভাবে একটি কমিউনিটি তৈরি করুন যেখানে সকল মেম্বার এ্যাক্টিভ থাকবে। ফেসবুকে কমিউনিটি তৈরি করার জন্য গ্রুপ কিংবা পেজ তৈরি করুন। এমনি করে টুইটার, গুগল প্লাস কিংবা লিংকেডিনে কমিউনিটি তৈরি করুন।
– সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়ভাবে নিয়মিত অংশগ্রহণের জন্য ম্যানেজমেন্টটুলস (HootSuite, TweetDeck) ব্যবহার করুন যা আপনার সময়কে সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাল ফলাফল বের করতে সাহায্য করবে।
– আপনার টার্গেটকৃত ক্রেতাদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিভিন্ন আলোচনাতে অংশগ্রহন করুন।
– কাউকে ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ কিংবা গ্রুপের লিংকগুলো সিগনেচার হিসেবে ব্যবহার করুন।
– আপনার নিজের ওয়েবসাইটে কিংবা কোন ব্লগে পোস্ট দেয়ার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক বাটন যুক্ত করুন।
-সহজেই টার্গেট  বুস্ট করে অল্প সময়ের মধ্যেই সারাবিশ্বের কাছে পণ্য বা ব্যবসার প্রসার ঘটানোর জন্য বর্তমানে সোসিয়াল মিডীয়ার চেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম আর নেই।
ব্লগিং আধুনিক মার্কেটিংয়ের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমঃডিজিটালভাবে উপস্থিতি ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য বর্তমানে ব্লগিং অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। মানুষের কাছে আপনার পণ্যের তথ্য পৌছে দেয়ার জন্য ব্লগ সব চাইতে কার্যকরী।
এক্ষেত্রে কিছু প্রয়োজনীয় কৌশল– আপনি যদি ব্লগিংয়ে নতুন হন, তাহলে অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘেটে এ সম্পর্কিত অনেক উপকারী তথ্য পাবেন। সেগুলো পড়ে জেনে নিন কিভাবে আপনার ব্লগ সাজাবেন?
– এবার আপনার ব্লগকে যেকোন একটি বিষয়ের উপর এমনভাবে তৈরি করুন যাতে যেকোন ভিজিটর সে সম্পর্কিত যেকোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায়।
– গেস্ট ব্লগিং করলে সবচাইতে বেশি বেনিফিটেড হবেন। এগুলোতে সবসময় কিছু নির্দিষ্ট পাঠক থাকে। টেকটিউনস একটি গেস্ট ব্লগিং সাইট।
– ব্লগের প্রতিটা নতুন পোস্টের পাবলিশের পর সেটা সাথে সাথে বিখ্যাত সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে শেয়ার করুন।
– এমনভাবে ব্লগের পোস্টগুলো তৈরি করুন যেন সেটা পণ্যের মার্কেটিং সম্পর্কিত কোন কিছু মনে না হয়। ক্লায়েন্টের জন্য উপকারী, তথ্যবহুল পোস্ট হতে হবে।
– নিয়মিত পোস্ট দিতে হবে। সেটা একটা রুটিন অনুযায়ী করলে ভাল হয়ে। যেমন, ৩দিন পর, ১ সপ্তাহ পর। তাহলে নিয়মিত ভিজিটর আসবে নতুন কিছু পাবার আশায়।
– সম্ভব হলে নিয়মিত কিছু অফার দিন যাতে আপনার ব্লগ এসইও করুনঃ
আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। এসইওর মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের সবচাইতে উপরে নিয়ে আসবেন, তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রিও বৃদ্ধি পাবে কারন বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেণার আগে গুগল থেকে সার্চ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থএক্ষেত্রে কিছু প্রয়োজনীয় কৌশ– অনলাইনে আপনার কনটেন্ট, যেকোন পোস্ট কিংবা ফোরাম ডিসকাশনে যেন আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকে যেন খুব সহজে আপনার টার্গেটেড পাঠক আপনাকে খুজে পেতে পারে।
– কখনও ডুপ্লিকেট কনটেন্ট ব্যবহার করা উচিতনা। এটা এসইওর ক্ষেত্রে খুবই ক্ষতিকর হবে।
– ওয়েবসাইটে টাইটেল ট্যাগ, মেটা ট্যাগের ব্যবহার করুন। এটা এসইও ক্ষেত্রে আপনাকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।
– আপনার ব্লগের সাথে আপনার পণ্যের ওয়েবসাইটের একটি সংযোগ তৈরি করুন।
– গুগলের নিয়মিত নতুন আপডেট সম্পর্কে সচেতন থাকুন, নিজেকে সেভাবে প্রস্তুত টার্গেটকৃত ক্রেতা পাওয়ার জন্য ইমেইল মার্কেটিং করুনঃইমেইল মার্কেটিং হল আপনার ক্রেতাদের কাছে আপনার পণ্যের তথ্য পৌছানোর সবচাইতে কার্যকরী পদ্ধতি।
এক্ষেত্রে কিছু প্রয়োজনীয় কৌশ– বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বয়সের কিংবা বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানুষের মেইল এড্রেস জোগার করুন।
– যে পণ্যের মার্কেটিং করতে চান, সেটি নিয়ে ভালভাবে গবেষণা করুন।
– অন্য কোম্পানীর একই পণ্যকে নিয়ে ও তাদের মার্কেটিং কৌশল নিয়ে গবেষণা করুন।
– সবচাইতে সহজভাবে আপনার পণ্যের গুণ বর্ণনা করুন আপনার মেইলে।
এছাড়া আরও কিছু কৌশল আছে যা সংক্ষেপে আলোচনা করা হলঃ
১। সমস্যা খুঁজে বের করতে হবে এবং কাজের লক্ষ্য স্থির করতে হবে
একটি প্রতিষ্ঠান মার্কেটিং এর সময় কি কি বিষয় নিয়ে কাজ করতে চায় এবং কি কি সমস্যা ধরা পড়ছে তা নিয়ে আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে। প্রত্যেকটি মার্কেটিং প্রক্রিয়ায় কিভাবে সফলতা আসবে আগে থেকেই সেটা ধারণা করে নিতে হবে।
২। নজর দেয়া যেতে পারে ভিডিও মার্কেটিং-এর দিকে
বাংলাদেশে এখন ইন্টারনেট স্পিডও বেড়ে গেছে। সেই সাথে হাতের কাছের ডিভাইস থেকে ভিডিও দেখার সুযোগও বেড়ে যাচ্ছে। তাই ইউটিউব বা ফেসবুকে ভিডিও শেয়ার করা হলে সেটি মানুষের কাছে আরও দ্রুত পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ থাকছে। প্রতিদিন ইউটিউবে ৪ বিলিয়ন ভিডিও দেখা হয় ইউটিউবে। তাই নতুন নতুন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ভিডিও মার্কেটিং এর জুড়ি নেই। কারণ ভিডিও যদি সুন্দর হয় সেটি অনেকেই শেয়ার করবে। এতে করে আরও বেশী মানুষের কাছে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নামকে পরিচিত করার সুযোগ থাকছে।
৩। ডিজিটাল মিডিয়া মার্কেটিং-এ সঠিক ব্যবস্থাপনা
প্রত্যেকদিন নির্দিষ্ট সময় পর পর মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট গুলোকে আপডেট করা উচিৎ। সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট পোস্ট করা ক্ষেত্রে অটোমেটিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করা উচিৎ।
৪। মার্কেটিং এর বিষয় খেয়াল রাখতে হবে
একেকটি পণ্যের মার্কেটিং করার প্রক্রিয়া একেক রকম হওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় দেখা যায় কোন একটি বিজ্ঞাপনের ছবিতে মানুষের মুখ ব্যবহার করা হলে আরও বেশী আকর্ষণীয় হওয়ার উপায় থাকে।
৫। শুধুমাত্র ফেসবুক মার্কেটিং করেই অতি দ্রুত ব্যবসার প্রসার ঘটানো যায়, এক্ষেত্রে দরকার সঠিক জ্ঞান। কোনো নির্দ্বিষ্ট এলাকা, কোন নির্দ্বিষ্ট বয়সের কাস্টমার কিংবা জেন্ডার নির্বাচন করেও টার্গেট বুস্ট করে সহজেই ব্যবসার প্রসার ঘটানো সম্ভব।
উপরোক্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে আমরা খুব সহজে বুঝতে পারি ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব। কোন পণ্য বা সেবার তথ্য আমরা খুব সহজেই আমাদের নির্ধারিত গ্রাহককে খুব সহজে জানাতে পারি কেবল ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। এসইও, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্লগিং, সাথে সম্ভব হলে ইমেইল মার্কেটিং এ কয়েকটি কাজ নিয়মিত করার মাধ্যমে আপনার পণ্যের দ্রুত প্রসার সম্ভব। এগুলো নিয়মিত করা শুরু করলেই ধীরে ধীরে আপনি এগুলো থেকে আরও ভাল ফলাফল বের করতে পারবেন, আরও ভালভাবে আপনার টার্গেটেড ক্লায়েন্টকে আকর্ষিত করতে পারবেন।
অনেক অজানা কিছুই হয়তোবা জানা হলো উপরিউক্ত লেখাটি পড়ে। এখন হয়তো ভাবছেন ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবেন কিভাবে? বিশ্বস্থ প্রতিষ্ঠান পাবেন কোথায় আর কেইবা হাতে কলমে জিরো থেকে শিখিয়ে দিবে?
খুব সোজা। আপনি পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে অনলাইনে লাইভ ক্লাশ করে শিখতে পারবেন নকরেক আইটি থেকে। এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশন এবং নকরেক আইটিতে নামমাত্র মূল্যে রেজিস্ট্রেশন।

আপনি হয়তো কোনো স্টার্ট-আপ বিজনেস এর দ্রুত প্রসার চাচ্ছেন, হয়তোবা আপনি কোনো বিউটি পার্লার এর মালিক, কিংবা আপনি নতুন বিজনেস আইডীয়া বের করেছেন কিন্তু কিভাবে এর সফলতা আনবেন তা নিয়ে সন্ধিহান। আপনি নির্দ্বিষ্ট এলাকা টার্গেট করে বিজনেস করবেন নাকি দেশ ছাড়ীয়ে বিদেশেও আপনার ব্যবসার প্রসার ঘটাতে চান তা নির্ভর করবে আপনি ডিজিটাল মার্কেটীং-এ কতটুকু দক্ষ।